সর্বশেষ সংবাদ: জাতীয় শিক্ষাক্রম অনুসরণ করছে ইবতেদায়ী মাদ্রাসা: শিক্ষামন্ত্রী রূপগঞ্জে ইভটিজিংয়ের প্রতিবাদ করায় যুবককে কুপিয়ে জখম করেছে কিশোর গ্যাং সদস্যরা সাবেক প্রতিমন্ত্রী ডাঃ মুরাদ কানাডা-আমিরাতে ঢুকতে না পেরে ফিরে আসছেন ঢাকায় বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়তে সকলকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে ——- তারা‌বো পৌরসভার মেয়র হা‌সিনা গাজী সোনারগাওঁয়ের সাদিপুর ইউ,পিতে ৩ নং ওয়ার্ডের মেম্বার নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগ সিদ্ধিরগঞ্জের শিমরাইল এলাকায় র‌্যাব-১১ এর অভিযানে ০৪ পরিবহন চাঁদাবাজ গ্রেফতার রূপগঞ্জে পুলিশ পরিদর্শকসহ ব্যবসায়ীকে হানজালা বাহিনীর হুমকি, ইটপাটকেল নিক্ষেপে দুই পুলিশ সদস্য আহত রূপগঞ্জে মন্ত্রীর পক্ষে ছাত্রলীগ নেতারদের বিরুদ্ধে আইসিটি আইনে মামলা বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর হলেন আহমদে জামাল ফেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তাহেই দেশে ভ্যাকসিন প্রয়োগ শুরু

সকল শিরোনাম

রাজনৈতিক সংঘাত বনাম জনসমাগমের রাজনীতি!! ব্রাজিল খেলায় সুনামি বইয়ে দিল : প্রতিপক্ষের বুকে কাঁপুনি শুরু বঙ্গবন্ধু টানেলের আংশিক খুলে দেওয়া হবে এ মাসেই ডিসেম্বরে ভারতের বিদ্যুৎ মিলবে বাংলাদেশে ১১ হাজার কর্মী ছাঁটাইয়ের ঘোষণা জাকারবার্গের মিয়ানমারে উপর নিষেধাজ্ঞা যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত হোন শর্ত ছাড়াই বাংলাদেশকে ৪৫০ কোটি ডলার ঋণ দিচ্ছে আইএমএফ সরকারি কর্মকর্তাদের বিদেশ ভ্রমণ স্থগিত কাতার বিশ্বকাপ : কন্টেইনারে রাতযাপনে গুনতে হবে ২১ হাজার টাকা ঋণের টাকায় দামি গাড়ি! পৃথিবীর তাপ রেকর্ড পরিমাণ বেড়েছে ১৫ নভেম্বর বিশ্বের জনসংখ্যা হবে ৮০০ কোটি আর্জেন্টিনা উগ্র ফুটবল সমর্থকগোষ্ঠী : বিশ্বকাপে ৬ হাজার আর্জেন্টাইন সমর্থক নিষিদ্ধ ২৫ কেজি সোনা নিলামে তুলবে বাংলাদেশ ব্যাংক খেলা যেন হয় শান্তিপূর্ণ ও নিরপেক্ষ ডিএসইর মানবসম্পদ নীতি নিয়ে বৈঠক ডেকেছে বিএসইসি ঋণ পাচ্ছে বাংলাদেশ যুদ্ধ হয়ে যাক একটা.. দীর্ঘদিন পর রাজনৈতিক সমাবেশে আসছেন প্রধানমন্ত্রী টাকা যেন একবারেই মূল্যহীন : ৫০ বছরে পণ্যমূল্য বেড়েছে ৮০ গুণ যৌন হয়রানি প্রতিকার কোথায়? সরকারের দমনপীড়নে গণজাগরণ দমানো যাবে না সংঘাত, সহিংসতা এবং সঙ্কটের রাজনীতি পাকিস্তানে বিএনপির সঙ্গে সম্পর্ক নেই হেফাজতের

এ পাতার অন্যান্য সংবাদ

রাজনৈতিক সংঘাত বনাম জনসমাগমের রাজনীতি!! ব্রাজিল খেলায় সুনামি বইয়ে দিল : প্রতিপক্ষের বুকে কাঁপুনি শুরু ব্রাজিলের জাদুকরী খেলা দেখে অনেকে আর্জেন্টিনা ছাড়ছেন আপনার জীবন বদলে যাবেই… বঙ্গবন্ধু টানেলের আংশিক খুলে দেওয়া হবে এ মাসেই ডিসেম্বরে ভারতের বিদ্যুৎ মিলবে বাংলাদেশে যুদ্ধ না হলেও দেশে অর্থনৈতিক মন্দা আসত: জিএম কাদের ১১ হাজার কর্মী ছাঁটাইয়ের ঘোষণা জাকারবার্গের মিয়ানমারে উপর নিষেধাজ্ঞা সিনেটে বাইডেন এগিয়ে, ট্রাম্পের নিয়ন্ত্রণে হাউস যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত হোন শর্ত ছাড়াই বাংলাদেশকে ৪৫০ কোটি ডলার ঋণ দিচ্ছে আইএমএফ সরকারি কর্মকর্তাদের বিদেশ ভ্রমণ স্থগিত কাতার বিশ্বকাপ : কন্টেইনারে রাতযাপনে গুনতে হবে ২১ হাজার টাকা ঋণের টাকায় দামি গাড়ি!

সংঘাত, সহিংসতা এবং সঙ্কটের রাজনীতি পাকিস্তানে

| ২৩ কার্তিক ১৪২৯ | Monday, November 7, 2022

 

ফারিহা জেসমিন : সংঘাত, সহিংসতা এবং সঙ্কটের রাজনীতি পাকিস্তানে নতুন নয়। পূর্বের ইতিহাসের সূত্র ধরে বলা যায়, বহু বছর ধরেই দেশটিতে রাজনৈতিক অস্থিরতা, টানাপোড়েন চলে আসছে। জন্মলগ্ন থেকেই পাকিস্তানের গণতন্ত্রের ইতিহাস খুব একটা সুখকর নয়। ২০১৮ সালে তৃতীয়বারের মতো ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী নেওয়াজ শরীফ স্বীকার করে নিয়েছিলেন যে, পাকিস্তানের রাজনৈতিক ইতিহাস গণতন্ত্রের ওপর হামলায় পরিপূর্ণ। বলা বাহুল্য যে, প্রধানমন্ত্রী পরিচালিত দেশটি আসলে সেনাবাহিনী পরিচালিত, তাই সেনাবাহিনীর সঙ্গে সরকারের ভালো সম্পর্ক থাকা আবশ্যক। বলা হয়ে থাকে, পাকিস্তানে সর্বোচ্চ ক্ষমতার মালিক সেনাবাহিনী আর প্রধানমন্ত্রী হলেন দ্বিতীয় প্রধান ক্ষমতাধর। পাকিস্তানের পররাষ্ট্রনীতি ও প্রতিরক্ষা নীতি ঠিক হয় সেনা সদর দফতরে, সেখানে বেসামরিক প্রধানমন্ত্রীর কোনো এখতিয়ারই নেই। 

সম্প্রতি আমেরিকার প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন পরমাণু শক্তিধর রাষ্ট্র পাকিস্তানকে পৃথিবীর একটি বিপজ্জনক জাতি বলে আখ্যায়িত করেছেন। যদিও এই কথার জের ধরে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূতকে অফিসে তলব করে ইসলামাবাদ। 

পাঞ্জাবের ওয়াজিরাবাদে গত ৩ নভেম্বর ২০২২ পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী, পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই)-এর চেয়ারম্যান ইমরান খানের ওপর চালানো সশস্ত্র হামলায় তিনি গুলিবিদ্ধ হন। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এখন পাকিস্তানের রাজনীতির মাঠ উত্তাল। ইমরান খান এবং তার দলের অন্যদের মতে এই হামলা ছিল একটি পরিকল্পিত হত্যা প্রচেষ্টা। নির্বাচনের মাধ্যমে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার দাবিতে লাহোর থেকে ইসলামাবাদ অভিমুখে একটি লংমার্চ পরিচালনা করছিলেন ২০১৮ সালে ভোটের মাধ্যমে নির্বাচিত পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী সাবেক জনপ্রিয় ক্রিকেটার ইমরান খান।

কোনো রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের ওপর পরিচালিত এমন হত্যা প্রচেষ্টা পাকিস্তানের ইতিহাসে বা পাকিস্তানের রাজনীতিতে নতুন নয়। এই নির্মমতা ধারাবাহিকভাবে চলে আসছে ১৯৫১ সালে দেশটির প্রথম প্রধানমন্ত্রী লিয়াকত আলি খানকে রাওয়ালপিন্ডিতে এক জনসভায় প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যা করার পর থেকেই। ভারতবর্ষ থেকে স্বাধীন পাকিস্তান সৃষ্টির মাত্র ৪ বছর পরেই দেশটির প্রধানমন্ত্রী লিয়াকত আলি খানকে গুলি করে হত্যা করা হয়। ইতিহাস সাক্ষ্য দেয়, পাকিস্তানের রাজনীতিতে এমন সহিংস হামলায় হত্যার শিকার হয়েছেন ফাতেমা জিন্নাহ, ২০০৭ সালে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেনজির ভুট্টোসহ আরও অনেকেই। ২০০৮ সালে প্রধানমন্ত্রী ইউসুফ রাজা গিলানি এই ধরনের হামলায় মরতে মরতে বেঁচে গিয়েছিলেন। ৭০ বছর বয়সি সাবেক জনপ্রিয় প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানকে হত্যার এই প্রচেষ্টা প্রমাণ করে পাকিস্তানের রাজনীতি কতটা সহিংসতার সঙ্গে যুক্ত। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে পরাজিত হবার পর জুলফিকার আলি ভুট্টো পাকিস্তানের ক্ষমতায় আসেন, কিন্তু সেনা অভ্যুত্থানের মাধ্যমে তিনি ক্ষমতাচ্যুত হন এবং ২ বছর পরেই জেনারেল জিয়াউল হক তাকে ফাঁসিতে ঝোলান। ১৯৮৮ সালে এক বিমান দুর্ঘটনায় জিয়াউল হক মারা গেলে সমাপ্তি ঘটে তার কর্তৃত্ববাদী শাসনের। অনেকেই এই দুর্ঘটনা তার রাজনৈতিক শত্রুদের ঘটানো বলে মনে করেন। 

২০১৮ সালের আগস্ট মাসে ভোটের মাধ্যমে নির্বাচিত হয়ে পাকিস্তানের ক্ষমতায় এসে ইমরান খানের সরকার প্রথমদিকে দাপুটে সেনাবাহিনীর (যাদের পাকিস্তানের রাজনীতিতে শক্তিশালী প্রভাব রয়েছে) সমর্থন পায়, কিন্তু পরবর্তীতে দুপক্ষের মধ্যে দূরত্ব সৃষ্টি হয়। একই বছরের এপ্রিল মাসে পাকিস্তানের বড় দুই রাজনৈতিক দল-পাকিস্তান পিপলস পার্টি (পিপিপি) এবং পাকিস্তান মুসলিম লীগ (পিএমএল-এন) জোট বেঁধে ইমরানের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব আনে, এতে হেরে ক্ষমতা হারান পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফের (পিটিআই) প্রধান ইমরান খান। পরবর্তীতে দেশটির প্রধানমন্ত্রিত্ব পান সাবেক প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরীফের ভাই পাকিস্তান মুসলিম লীগের শাহবাজ শরীফ। যুক্তরাষ্ট্রের পরোক্ষ অসহযোগিতায় ক্ষমতায় টিকতে পারেননি বলে ব্যাখ্যা করেছিলেন ইমরান খান। 

এরপর নতুন নির্বাচনের দাবিতে এবং দেশটিতে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের লক্ষ্য নিয়ে আন্দোলনে নামে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান ও তার দল। গত ২৯ অক্টোবর সেই আন্দোলনের অংশ হিসেবে লাহোর থেকে ইসলামাবাদ অভিমুখে লংমার্চের ডাক দেন ইমরান খান। ছয়দিন পর লংমার্চটি পাঞ্জাবের ওয়াজিরাবাদে পৌঁছালে সেখানে সমাবেশ চলাকালীন ইমরান খানকে লক্ষ্য করে বন্দুক হামলা চালানো হয় এবং তিনি গুলিবিদ্ধ হন। 

এই ঘটনায় পাকিস্তানজুড়ে বইছে সমালোচনার ঝড় এবং প্রধান প্রধান শহরগুলোতে চলছে পিটিআই-এর কর্মীদের ব্যাপক প্রতিবাদ ও বিক্ষোভ। পাকিস্তানের ঘোলাটে রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে এই ঘটনা যোগ করছে নতুন মাত্রা। করাচি, লাহোর, পেশওয়ার, ফাইজাবাদ, ফয়সালাবাদসহ অন্য সব শহরে প্রতিবাদ ও বিক্ষোভ করছেন হাজার হাজার ইমরান সমর্থক। বিভিন্ন সড়ক দখল করে প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করছে তারা এবং স্থানে স্থানে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ হচ্ছে বিক্ষোভকারীদের। তেহরিক-ই-ইনসাফের মহাসচিব আসাদ উমর জানিয়েছেন, ইমরান খানের দাবি না মেনে নেওয়া পর্যন্ত এই প্রতিবাদ ও বিক্ষোভ চলবে। 

হামলার পরপরই এক বিবৃতিতে এই ধরনের জঘন্য হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরীফ। তিনি এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন এবং পাকিস্তানের রাজনীতিতে সন্ত্রাসবাদের কোনো স্থান নেই বলে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন। নিহতের প্রতি গভীর শোক এবং আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী। সরকারের শরিক পিপিপি চেয়ারম্যান এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী বিলওয়াল ভুট্টোও এই হামলায় তার উদ্বেগের কথা জানিয়েছেন। সেনাবাহিনীর তরফ থেকেও নিন্দা জানানো হয়েছে। ইমরান খানের ওপর এই হামলায় তীব্র নিন্দা এবং উদ্বেগ জানিয়েছে এক সময়কার মিত্র দেশ যুক্তরাষ্ট্রও। হোয়াইট হাউস থেকে জানানো হয়েছে রাজনীতিতে সহিংসতার কোনো স্থান নেই। সকল রাজনৈতিক দলকেই শান্তিপূর্ণ এবং সহিংসতা থেকে দূরে থাকতে আমেরিকা আহ্বান জানায়। 

কিন্তু ইমরান খান এই বন্দুক হামলায় বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরীফ, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রানা সানাউল্লাহ এবং মেজর জেনারেল ফয়সালকে দুষছেন বলে ইমরান খানের বক্তব্য সংবাদমাধ্যমগুলোতে উঠে এসেছে। বিশ^স্ত সূত্রের বরাত দিয়ে ইমরান খান বলেছেন, তার কাছে তথ্য আছে এই ক্ষমতাপুষ্ট লোকজন তাকে হত্যা করতে চায়, যা ইতিহাসে আরও অনেকের সঙ্গে হয়েছে। তিনি তাদের পদত্যাগ দাবি করেছেন। অন্যদিকে, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রানা সানাউল্লাহ তাদের বিরুদ্ধে আনা ইমরানের এই অভিযোগকে ভিত্তিহীন ঘোষণা দিয়ে বলেছেন, এই হামলা সেখানেই হয়েছেÑযেখানে ইমরান খান সমর্থিত সরকার প্রদেশ পরিচালনা করছেন। এতে তাদের কোনো অংশগ্রহণ নেই। প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরীফও এই ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করেছেন এবং আহত ও নিহত ব্যক্তিদের জন্য শোক প্রকাশ করেছেন। 

এই ঘটনার জের ধরে পাকিস্তানের চলমান রাজনৈতিক সংকট আরও ঘনীভূত হবে তাতে কোনো সন্দেহ নেই। শাহবাজকে ক্ষমতা থেকে সরিয়ে নির্বাচনের দাবি করা ইমরান খানের নেতৃত্বে পিটিআই তাদের আন্দোলন আরও কঠোর পর্যায়ে নিয়ে যাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ইমরান খান তার অনুসারীদের লংমার্চ চালিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। 

সংবাদপত্রগুলো বলছে, আন্তর্জাতিক রাজনীতি বিশ্লেষকরা মনে করছেন পাকিস্তানের রাজনীতিতে যে বিদ্বেষ ছড়ানো হয়েছে, বিশেষ করে ইমরান খানকে ক্ষমতাচ্যুত করার পর এই বিদ্বেষ ছড়ানো আরও বেড়েছে এবং এই বন্দুক হামলা তারই ফলাফল। এতে করে দেশটিতে রাজনৈতিক সংকট দিন দিন আরও প্রকট হবে। সামাজিক বন্ধন আরও শিথিল হতে পারে বলেও মনে করছেন গবেষকরা। কোনো আলাপ-আলোচনা ছাড়াই রাজনৈতিক দলগুলো প্রচার-প্রচারণা চালাচ্ছেন এবং নিজেদের মধ্যে সমালোচনার ঝড় তুলছেন, যা কোনো রাজনৈতিক সংস্কৃতি হতে পারে না। এরকম রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং সংকট শুধু রাজনীতির মাঠে নয়, নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে দেশটির অর্থনীতিতেও। 


লেখক: সহকারী অধ্যাপক, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়