Saturday, June 4, 2011, প্রথম পাতা

হরতালকে সামনে রেখে রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে আটটি বাসে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। আজ শনিবার রাত নয়টা পর্যন্ত নগরের মিরপুর, বাংলামোটর, ফকিরাপুল, আজিমপুর, কাঁটাবন, মহাখালী, কাপ্তানবাজার ও কমলাপুর এলাকায় মোট আটটি বাসে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়।ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ সূত্র জানায়, বেলা আড়াইটার দিকে রাজউকের সামনে একটি বাসে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে আগুন নিভিয়ে ফেলে। সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার দিকে মিরপুর ১০ নম্বর গোলচক্করের কাছে একটি যাত্রিবাহী বাসে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। প্রায় একই সময় আজিমপুর, বাংলামোটর ও ফকিরাপুলে তিনটি বাসে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। এ ছাড়া রাত আটটার দিকে মহাখালী, কাঁটাবন, কাপ্তানবাজার ও কমলাপুর এলাকায় চারটি বাসে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। কারা এ অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটিয়েছে, তা জানা যায়নি। এসব ঘটনায় হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি।
Saturday, June 4, 2011, প্রথম পাতা
Saturday, June 4, 2011, প্রথম পাতা
বিরোধী দল আহূত আগামীকালের হরতালে নাশকতা ঠেকাতে আজ শনিবার দুপুর থেকেই পুলিশ রাজধানীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে দৃশ্য ও অদৃশ্যমান অবস্থায় দায়িত্ব পালন করছে বলে জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশ কমিশনার বেনজির আহমেদ। আজ শনিবার ডিএমপি সদর দপ্তরে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা জানান। পলিশ কমিশনার বলেন, হরতালে মিছিলের নামে ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ড চালানো হয় বলেই পুলিশ তাতে বাধা দেয়। এবারও পুলিশ জনগণের জানমাল রক্ষায় যে কোন ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ড রুখতে সর্বাত্মক ব্যবস্থা নিয়েছে। এ সময় তিনি হরতাল আহ্বানকারীদের ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকতে আহ্বান জানান। সংবাদ সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার আব্দুল জলিল, মিলি বিশ্বাস, যুগ্ম কমিশনার মীর শহিদুল ইসলাম, ব্যারিস্টার মাহবুবুব রহমান, ইব্রাহীম ফাতমিসহ মহানগর ও গোয়েন্দা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা। 
Saturday, June 4, 2011, প্রথম পাতা
সম্প্রতি উচ্চ আদালতের দেয়া এক রায়ের পরিপ্রেড়্গিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মনত্মব্য করেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা রাখার আর সুযোগ নেই। এ ঘোষণার প্রতিবাদে প্রধান বিরোধী দল বিএনপিসহ চারদলীয় জোটের শরিক এবং আরো কয়েকটি দল কাল রোববার দেশব্যাপী সকাল-সন্ধ্যা হরতালের কর্মসূচি দিয়েছে; কিন্তু কথা হলো- কেন এই হরতাল। হরতাল ছাড়া অন্য রাজনৈতিক তৎপরতার পথ কি খোলা ছিল না? অতীত অভিজ্ঞতা বলে- হরতাল মানেই জ্বালাও-পোড়াও, ভাঙচুর, সংঘাত আর সংঘর্ষ। হরতাল আহ্বানকারী দল লাঠিসোঁটা নিয়ে রাসত্মায় পিকেটিংয়ের নামে অরাজকতা সৃষ্টি করে। হরতাল ব্যাপক পরিমাণ জান-মালের ড়্গতি করে। দেশের অর্থনীতিতে পড়ে এর বিরূপ প্রভাব। জনজীবন হয়ে ওঠে নিরাপত্তাহীন। আজই বেশ কয়েকটা পত্রিকায় এসেছে- আগামীকালের হরতালে বিএনপিসহ শরিক দলগুলো তাদের ড়্গমতা প্রদর্শন করবে। আমরা তো জানি হরতালে ড়্গমতা প্রদর্শনের কী মানে। এ ড়্গমতা প্রদর্শনের আরেক নাম নৈরাজ্য ছাড়া কী হতে পারে? উন্নত দেশে হরতালের কর্মসূচি দেয়া হয় জনগণ কতোটা স্বতঃস্ফূর্তভাবে হরতাল সমর্থন করেছে তা পর্যবেড়্গণ করার জন্য। তাই হরতালের কর্মসূচি দেয়ার আগে অবশ্যই আমাদের রাজনৈতিক দলগুলোর দায়িত্বশীলতার পরিচয় দেয়া বাঞ্ছনীয়। হরতালের যৌক্তিকতা জনসমড়্গে তুলে ধরা দরকার। প্রধান বিরোধী দল কি নিজেদের দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করেছেন?