নিউজ বাংলাদেশের নতুন সাইট www.news-bangladesh.com

নিউজ বাংলাদেশের নতুন সাইট www.news-bangladesh.com

দোহাই জনগণের দিকে তাকান-

1472938_1409203395989389_164328624_n.jpgমীর আবদুল আলীম
যারা রাজনীতি করেন তাদের বলছি; যারা ক্ষমতার মোহে বিভোর তাদের কাছে মিনতি করছি, দয়া করে ক্ষমতার কুর্সি নয়, জনগণের হৃদয়ে আসন অনুসন্ধান করুন। ক্ষণস্থায়ী ক্ষমতা নয়, বাংলাদেশের মানুষের হৃদয়ে চিরস্থায়ী জীবনপ্রবাহকে প্রাধান্য দিন। গুটিকয়েক দলীয় মানুষ নয়, প্লিজ আপনারা দেশের আমজনতার হৃৎস্পন্দন উপলব্ধি করুন। চলমান সংঘাতে কারা ঝলসে যাচ্ছে? কাদের করা হচ্ছে রাষ্ট্রীয় বলিদান? কারা মরছে হরতাল-অবরোধে? দিন এনে দিন খাওয়া মানুষ তো আর ঘরে বসে থাকতে পারে না? চাকরিজীবী হলে তারা কি অফিসে না গিয়ে পারেন? ক্লাস বা পরীক্ষা থাকলে ছাত্রছাত্রীরা কি স্কুল-কলেজে না গিয়ে পারে? এরাই বেশি হরতাল-সহিংসতার শিকার হচ্ছে। শ্রমজীবী মানুষ বেঁচে থাকার তাগিদে বাধ্য হয়ে হরতালে রাস্তায় নামে, নইলে গোটা সংসার যে অনাহারে দিন কাটাবে। কোনো রাজনীতিই এরা বোঝে না। পেটনীতি করে ওরা। মাথার ঘাম পায়ে ফেলে এরাই এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশের অর্থনীতির চাকাকে। অথচ এর বিনিময়ে তাদের ভাগ্যে কী জুটছে? পেট্রলবোমা, লাঠিপেটা আর ককটেল! গাড়িতে পুড়ে মরা, ট্রাক উল্টে বা ইটের আঘাতে রক্তাক্ত হওয়া। আমরা প্রতিদিন কী দেখছি? কী শুনছি আমরা? হতভাগ্য বাবার চোখের সামনে গুলিবিদ্ধ কিংবা ঝলসে যাওয়া ছেলের চিৎকার। এরা তো সবাই রাষ্ট্রের সুনাগরিক? এদের তো বাঁচার অধিকার আছে। এদের বাঁচিয়ে রাখার সরকারের দায় আছে। আছে আইনও। নাগরিকের নিরাপত্তাবিধান ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষা করা রাষ্ট্রের দ্বিতীয় অপরিহার্য কাজ। বাংলাদেশের সংবিধানের তৃতীয় ভাগে ২৬-৪৭ক অনুচ্ছেদ পর্যন্ত নাগরিকের অধিকারগুলো বর্ণিত আছে। সেখানে কাউকেই নির্বিচারে মানুষ হত্যার বৈধতা দেওয়া হয়নি। এ হত্যার দায় যেমন বিরোধী দলের, রাষ্ট্রের অভিভাবক হিসেবে সরকার দলও এ দায় কিছুতেই এড়াতে পারে না। যখন হরতাল-অবরোধের নামে জীবন্ত মানুষ পুড়ে ঝলসে যায়,

বিস্তারিত

বাংলাদেশ নিয়ে গভীর উদ্বেগ

image_692_99355.jpgনির্বাচন সামনে রেখে রাজনৈতিক অচলাবস্থার প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশ প্রসঙ্গে একটি প্রস্তাব নিয়ে আলোচনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রবিষয়ক সিনেট কমিটি। বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতির জন্য প্রধান দুই রাজনৈতিক দলের বিরোধকে দায়ী করে ওই প্রস্তাবে রাজনৈতিক সংস্কারের ওপর গুরুত্ব দেয়া হয়। যুক্তরাষ্ট্রের ৫ সিনেটর রিচার্ড ডারবিন, জন বুজম্যান, বারবারা বক্সার, মাইকেল বি এঞ্জি এবং সিনেটর ক্রিস্টফার এস মার্ফি গত ১১ ডিসেম্বর প্রস্তাবটি পররাষ্ট্রবিষয়ক সিনেট কমিটিতে তোলেন, যা নিয়ে আলোচনা হয় বুধবার। স্থানীয় সময় দুপুর সোয়া ২টায় ওয়াশিংটন ডিসির ক্যাপিটল ভবনে এই বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন সিনেট কমিটির চেয়ারম্যান রবার্ট মেনেন্ডেজ (নিউ জার্সি-ডেমোক্রেট)। কমিটির অন্য সদস্যরাও এতে অংশ নেন। এ বিষয়ে সিনেটর মেনেন্ডেজের দপ্তরে যোগাযোগ করা হলে সেখান থেকে বলা হয়, শুক্রবারের আগে ‘রেজ্যুলেশনের’ বিস্তারিত প্রকাশ করা সম্ভব হবে না। তবে ‘ফরেন রিলেশন্স কমিটির’ একজন কর্মকর্তা বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী জন কেরির টেলিফোনের পরও বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতির

বিস্তারিত

পাতার শুরুতে