উচ্চমূল্যে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ: সোমবার আদেশ

2012-05-19-18-16-01-power-lines-tm.jpgশিল্প ও আবাসিকে বিশেষ শ্রেণির (কিউ শ্রেণি) গ্রাহকদের উচ্চমূলে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ দেওয়ার বিষয়ে সিদ্ধান্ত সোমবার জানানো হবে বলে বিইআরসি সূত্র জানিয়েছে। এর আগে ১৩ মে আদেশ দেওয়ার কথা থাকলেও আঞ্চলিক এনার্জি সেমিনারের কারণে সম্ভব হয়নি বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) সদস্য ড. সেলিম মাহমুদ। রোববার কমিশনের স্বাক্ষর করার কথা রয়েছে।আশা করছি সোমবার আদেশ দেওয়া যাবে। পিডিবির প্রস্তাবের চেয়ে কম ম‍ূল্য নির্ধারণের ইঙ্গিত দিলেও ঠিক কত মূল্য নির্ধারণ করা হচ্ছে বলতে রাজি হননি প্রকৌশলী ইমদাদুল হক।পিডিবির প্রস্তাবে আরও বলা হয়েছে, হাইড্রো ফার্নেস অয়েলভিত্তিক কাটাখালি ৫০ মেগাওয়াট পিকিং পাওয়ার প্লান্ট, হরিপুর বিএমপিপি ১১০ মেগাওয়াট, মেঘনাঘাট ১০০ মেগাওয়াট, সিদ্ধিরগঞ্জ ১০০ মেগাওয়াট কুইক রেন্টাল, নওয়াপাড়া ৪০ মেগাওয়াট কুইক রেন্টাল, কেরানীগঞ্জ ১০০ মেগাওয়াট কুইক রেন্টাল ও খুলনা ১১৫ মেগাওয়াট কুইক রেন্টাল পাওয়া প্লান্ট ৭০ শতাংশ হারে চালানো হবে।

বিস্তারিত

মাছ-মাংস-দুধ-ডিম :চাহিদা ও সরবরাহে ঘাটতি আরও বাড়বে

default2.jpegমাছ, মাংস, দুধ ও ডিম— এ চার খাদ্যপণ্যই বাংলাদেশের মানুষের আমিষের চাহিদা পূরণ করছে। গত কয়েক বছরে খাদ্যশস্য উত্পাদনে সফলতা এলেও পণ্য চারটির চাহিদা ও সরবরাহের মধ্যে বড় ধরনের ঘাটতি সৃষ্টি হয়েছে। আগামী তিন বছরে এ ঘাটতির পরিমাণ আরও বাড়বে। বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠান (বিআইডিএস) ও বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউট সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে। আমিষসংশ্লিষ্ট এ চার খাদ্য উপাদানের চাহিদা ও জোগানের পরিমাণ প্রাক্কলন করার ক্ষেত্রে গবেষণায় উচ্চ, মধ্য ও নিম্ন তিন বিত্তের মানুষকেই হিসাবে নেয়া হয়েছে।সংস্থা দুটির হিসাবে, ২০১২ সালে মাংসের ঘাটতি হবে ১৩ লাখ ৬০ হাজার টন ও দুধের ঘাটতি হবে ১০ লাখ ৮ হাজার টন। এ ছাড়া মাছের ঘাটতি ৫ লাখ ৪ হাজার টন এবং ডিমের ঘাটতি হবে ১০৯ কোটি ৯০ লাখ। পণ্যগুলোর সরবরাহ ও চাহিদার মধ্যে ঘাটতি আগামী তিন বছর ক্রমান্বয়ে বাড়বে

বিস্তারিত

পদ্মা সেতুর জন্য বরাদ্দ রেখে এডিপি অনুমোদন

4-padma-bridge.jpgপদ্মা সেতুর জন্য ৩ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দসহ ২০১২-১৩ অর্থবছরের জন্য ৫৫ হাজার কোটি টাকার বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি অনুমোদন হয়েছে।শনিবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের সভায় (এনইসি) এ অনুমোদন দেওয়া হয়।এর আগে প্রথম কল নোটিস অনুযায়ী এডিপির আকার ছিল আকার ৬৭ হাজার ৩৬৮ কোটি টাকা। সেখান থেকে ১৩ হাজার ৬৮ কোটি টাকা কমিয়ে পরিকল্পনা কমিশন ৫৪ হাজার ৩০০ কোটি টাকার খসড়া প্রস্তাব চূড়ান্ত করে। পরবর্তী সময়ে চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়ার সময় আরও ৭০০ কোটি টাকা বাড়িয়ে ৫৫ হাজার কোটি টাকা অনুমোদন করা হয়। এর মধ্যে ৩৩ হাজার ৫০০ কোটি টাকা দেশীয় অর্থ এবং বাকি ২১ হাজার ৫০০ কোটি টাকা প্রকল্প সাহায্য।

বিস্তারিত

পাতার শুরুতে