সকল শিরোনাম

সেবা খাতে ঘুষ-দুর্নীতি বন্ধ হবে কবে? কেন সাংবাদিক নির্যাতন? সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যুর সর্বোচ্চ সাজা ৫ বছরের জেল রূপগঞ্জে গাজা ও ইয়াবাসহ শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার আসামের তালিকা নিয়ে বাংলাদেশের দুশ্চিন্তার কোনো কারণ নেই: ভারতীয় হাইকমিশনার প্রধানমন্ত্রী বললে পদত্যাগ করব : নৌমন্ত্রী শিশুরা আমাদের চোখ-কান খুলে দিয়েছে : মনিরুল শিক্ষার্থীদের দাবি মেনে নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারকারা রাস্তায় পুলিশের নামে মামলা দিতে সার্জেটকে বাধ্য করলো শিক্ষার্থীরা আন্দোলনও থামুক; সড়কও নিরাপদ হউক দু:স্থদের মাঝে বিসিএস পুলিশ পরিবারের ঈদ বস্ত্র বিতরণ ৬ কারণে বিশ্বকাপ জিতবে ব্রাজিল সবার জন্য স্বাস্থ্য প্রধানমন্ত্রীর কানাডা সফর ৬ জুন  দ্রব্যমূল্য বাড়ার মাস কী রমজান! সবকিছু স্বপ্নের মতো মনে হচ্ছে লিখিত স্থগিতাদেশ পেলে গাজীপুর সিটি নির্বাচনের জন্য আপিল করা হবে : অ্যাটর্নি জেনারেল সৌহার্দ্যপূর্ণ আন্তঃবাহিনী সম্পর্ক বজায় রাখার আহবান আইজিপির গাজীপুর সিটি করপোরেশনের নির্বাচন ২৬ জুন বিজ্ঞানমনস্ক জ্ঞানভিত্তিক সমাজ বিনির্মানে শিক্ষকদের ভূমিকা শীর্ষক কর্মশালা নির্বাচনী মাঠে একঝাঁক তরুণ মনোনয়নপ্রত্যাশী দলের নয়, কাজের লোককে ভোট দিন: ওবায়দুল কাদের খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা আগের চেয়েও উদ্বেগজনক নির্বাচনী প্রচারণায় ঘুম নেই ঢাকা দক্ষিনের প্রার্থীদের


এ পাতার অন্যান্য সংবাদ

সেবা খাতে ঘুষ-দুর্নীতি বন্ধ হবে কবে? কেন সাংবাদিক নির্যাতন? সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যুর সর্বোচ্চ সাজা ৫ বছরের জেল রূপগঞ্জে গাজা ও ইয়াবাসহ শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার আসামের তালিকা নিয়ে বাংলাদেশের দুশ্চিন্তার কোনো কারণ নেই: ভারতীয় হাইকমিশনার প্রধানমন্ত্রী বললে পদত্যাগ করব : নৌমন্ত্রী শিশুরা আমাদের চোখ-কান খুলে দিয়েছে : মনিরুল শিক্ষার্থীদের দাবি মেনে নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারকারা রাস্তায় পুলিশের নামে মামলা দিতে সার্জেটকে বাধ্য করলো শিক্ষার্থীরা আন্দোলনও থামুক; সড়কও নিরাপদ হউক দু:স্থদের মাঝে বিসিএস পুলিশ পরিবারের ঈদ বস্ত্র বিতরণ ৬ কারণে বিশ্বকাপ জিতবে ব্রাজিল সবার জন্য স্বাস্থ্য প্রধানমন্ত্রীর কানাডা সফর ৬ জুন

 দ্রব্যমূল্য বাড়ার মাস কী রমজান!

সকল শিরোনাম, সম্পাদকের কলাম | ৩১ বৈশাখ ১৪২৫ | Monday, May 14, 2018

মীর আব্দুল আলীম :
আসছে রমজান মাস। দ্রব্যমূল্য বাড়ার মাস রমজান! এটা জন্মেও পর থেকে দেখছি এ মাসে লাফিয়ে লাফিয়ে  পণ্যমূল্য বেড়ে। এ দেশের ব্যবসায়ী-মজুদদাররা ধরেই নেয়, মুনাফায় পকেট ভারী করার মওকাই হচ্ছে সিয়াম সাধনার মাস পবিত্র রমজান। রমজানে দুটো পয়সা কামিয়ে নিতে এরা কোমর বেঁধে প্রস্তুতি নেয় পূর্বাহ্নেই। মজুদ গড়ে তোলে, দফায় দফায় মূল্য বাড়িয়ে সাধারণ ভোক্তাদের নাভিশ্বাস তুলে। পণ্যমূল্য নিয়ে আর কোনদিন লেখব না এমনটিই ভাবছিলাম। লিখে কিই বা লাভ? আমার লেখায় কি বাজারে দ্রব্যের উত্তাপ এতটুকুও কমবে? ৩০ বছর ধরে লেখালেখি করেছি কি সুফল পেয়েছে দেশের মানুষ? তবু আমি আশাহত নই। মানুষের বিবেক একদিন জাগবেই; মানুষের বোধউদয় হবেই। মানুষের মধ্যে ধর্মূনুভুতি আসবেই। এমন আশা বুকে নিয়েই লিখি, লিখবো। যতদিন জ্ঞান আছে ততদিন লিখবোই। এমন দিনের আমরা প্রত্যাশা করি, যেদিন মানুষ রমজানে ব্যবসায়ীরা আর মুনাফা করতে চাইবে না। এই একটি মাস লাভ ছেড়ে দিয়ে ব্যবসা করবে। এমনের প্রত্যাশা করতে দোষ কোথায়? আশা নিয়েইতো মানুষ বাঁচে। আমরা আশাহত হতে চাই না। জানি লিখে লাভ নেই। লিখে কষ্ট বাড়ানো পাঠকের। এত বড় লেখা পড়তেওতো এনার্জি নষ্ট হবে। মূল্যহীন লেখা তবুও লিখছি।
যদি কোন মুনাফাখোর, মজুতদার আমার লেখাটা পড়েন তাদের জ্ঞাতার্থে বলছি। নানা ছলচাতুরিতে টাকার পাহাড়তো গড়েছেন। আর কত টাকা চাই আপনাদের? একজন মানুষের জীবনে কত টাকার প্রয়োজন হয়? দামি গাড়ি হাকান; নানা জায়গায় আলিসান বাড়ি আছে; আছে কারো কারো ভোগ-বিলাসের বাগানবাড়িও। আর খাবার? যখন যা চাইছেন তাইতো মিলছে। বাঘের চোখওতো চাইলে পান আপনারা। এবার অন্তত সিয়াম সাধনার মাসে এদেশের অসহায় মানুষগুলোর কথা ভাবুন। রোজার আগেই নিম্ন আয়ের মানুষগুলো আপনাদের চাপিয়ে দেয়া যথেচ্ছ দাম দিয়ে খাবার কিনতে পারছে না। ওরা ২ বেলা পেট পুরে খেতে পাচ্ছে না। রোগে-শোকে মরছে ওরা। আপনারা কি নিজের সন্তান না খেয়ে কাতরানোর দৃশ্য দেখেছেন কখনো? অভাবি মানুষগুলো প্রতিনিয়তই তা দেখছে। ওদের অভ্যাসগত দেখা এটি। ক’টা টাকার অভাবে ওরা সন্তানের বিনা চিকিৎসা মৃত্যুটাও চেয়ে চেয়ে দেখে নেয়।
মানুষকে জিম্মি করে ভোগ্য পণ্যেও অধিক মুনাফা লাভের এই খেলা কেন সরকার বন্ধ করতে পারে না? সরকারের সৎ ইচ্ছা থাকলে এই খেলা বন্ধ করা অবশ্যই সম্ভব, কিন্তু এই সম্ভবকে অসম্ভবের হাত থেকে বাঁচাতে সরকারকে অবশ্যই হার্ড লাইনে চলে যেতে হবে। প্রথমে চিহ্নিত করতে হবে সেই সকল অসাধু ব্যবসায়ীদের যারা সিন্ডিকেটের মাধ্যমে বাজার নিয়ন্ত্রণ করবে তাদের সকল বিবেকহীন আয়োজন সম্পূর্ণ করেছে। মনে রাখতে হবে সারাদিন রোজা রেখে পবিত্র সেহরির সময় সামান্য আলুভর্তা আর ডাল দিয়ে ভাত খেয়ে ইফতারির সময় পানি নিয়ে বসে তত্ত্বাবধায়ক ও জোট সরকারের মতো এই সরকারও জনগণের বদদোয়া কামিয়ে নিবে বলেই মনে হচ্ছে। অর্থনীতিতে একটা কথা আছে, চাহিদার তুলনায় উৎপাদন যতো কম হবে পণ্যের দাম বাজারে ততো বেশি হবে। মুক্তবাজার অর্থনীতিতে বাজার নিয়ন্ত্রণ করা সহজ কাজ নয়। সেনা নিয়ন্ত্রিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার ও চারদলীয় জোট সরকার এবং বর্তমান ক্ষমতাসীন সরকারের সময় দেখেছি, যতবার পণ্যের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে, ততবার বাজারে মূল্যবৃদ্ধি হয়েছে। বড় বড় ব্যবসায়ীরা সরকারকে বারবার আশ্বাস দিচ্ছে, রোজার মধ্যে পণ্যের দাম বাড়বে না। কিন্তু বাস্তবে তার কোনো প্রভাব বাজারে পড়ে না।
এ দেশে দ্রব্যমূল্য লাফিয়ে বৃদ্ধি পায়। কোন পণ্য আজ যে দামে বিক্রি হচ্ছে, কাল সেই একই পণ্যের দাম অস্বাভাবিক হারে বেড়ে যাচ্ছে। ন্যয্য মূল্যে পণ্য পাওয়ার কোন নিশ্চয়তা নেই এই দেশে। তবু মন্দেও ভালো এবার রমজানে প্রতি কেজি পিয়াজ ১৩৫ টাকায় কিনতে হচ্ছে না। সরকারের ব্যাপক হম্বিতম্বিতে এক মাস আগের ২৫ টাকার পিয়াজ এখনও পাচ্ছি ৪০ টাকায়। সব পণ্যতেই কমবেশি রমজানের আঁচ লেগেছে। চাল, ডাল, মাছ, মাংস, তেল, তরিতরকারি, ফলমূল, চিনি, লবণ, গম, আটা, রুটি, বিস্কুট ইত্যাদি দ্রব্যের মূল্য আগের তুলনায় বেড়ে গেছে। মানুষের ওপর চেপে বসেছে দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির ঘোটক। জীবন ধারণের উপযোগী প্রতিটি জিনিসের অগ্নিমূল্য।স্বাধীন দেশে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের বলগাছাড়া অবস্থা দরিদ্র ব্যক্তিদের পক্ষে বজ্রাঘাততুল্য। বিভিন্ন শ্রেণীর ব্যবসায়ীরা সিন্ডিকেট করে নিত্য প্রয়োজনীয়  দ্রব্যের মূল্য বৃদ্ধি করছেন। ফলে সাধারণ মানুষ বিশেষ করে খেটে খাওয়া মেহনতি মানুষের নাভিশ্বাস উঠেছে। অতিরিক্ত মুনাফালোভী ব্যবসায়ীদের জন্যই সাধারণ মানুষকে অনেক দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। সরকারকে কঠোর হাতে অতিলোভী অসাধু এসব ব্যবসায়াদের দমন করতে হবে।
এবারের মাহে রমজানে দ্রব্যমূল্য এবং চাঁদাবাজি নিয়ন্ত্রণে সরকার কড়া পদক্ষেপ নিয়েছে। যতটুকু জেনেছি, প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর থেকেও দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে কঠোর নির্দেশ দেয়া হয়েছে। বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ব্যবসায়ীদের সাথে দফায় দফায় বৈঠক করেছে; পণ্যবাহী ট্রাকে চাঁদাবাজি ঠেকাতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে চিঠি দিয়েছে। সারাদেশে দ্রব্যমূল্য সহনীয় রাখা ও আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বিভাগীয় এবং প্রশাসকের নেতৃত্বে কাজ করছেন সংশ্লিষ্ট প্রশাসন। কিন্তু তাতেও কি দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে আছে? প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর, বাণিজ্য মন্ত্রণালয় আর জেলা প্রশাসনের তাবদ হুমকি-ধমকিকে কি পাত্তা দিলো ব্যবসায়ীরা?
এখন দেশে অতি খরা নেই, নেই অতিবৃষ্টি, নেই হরতাল-অবরোধও। তাহলে কেন এভাবে বাড়ছে পণ্যমূল্য? রোজার মাসে বেশ কিছু পণ্যের চাহিদা অন্য মাসের চেয়ে বেড়ে যায়। চাহিদা অনুযায়ী পণ্যের সরবরাহ নিশ্চিত করার জন্য সরকারের পক্ষ থেকে নানামুখী উদ্যোগ নেয়া সত্ত্বেও তার সুফল অনেক সময় ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকে যায় পরিবহন চাঁদাবাজি ও মজুদদারীর কারণে। এবারও বেড়েছে। আগত সিয়াম সাধনার মাসে নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বেড়ে যাওয়ায় ক্ষুব্ধ ক্রেতারা।
প্রতিবছর রোজা আসে; বাড়ে জনগণের নাভিশ্বাস। এটা নতুন নয়। ঈদ আর রোজা মানেই পণ্যমূল্যের দাম বেড়ে যাওয়া। এটা দ্রব্যমূল্য বাড়ারই মওসুম। দীর্ঘদিন ধরে এটাই চলে আসছে এদেশে। এ বছরও তার ব্যতিক্রম হয়নি। রোজা শুরু না হতেই দ্রব্যমূল্যের লাগামহীন পাগলা ঘোড়া ছুটছে তো ছুটছেই। বর্তমানে বাজারে কোনই সুখবর নেই। চাল, ডাল, তেল, পেঁয়াজ, রসুন, ডিম, আলু, খেজুর, মাছ, মাংস, মসলা, কাঁচামরিচ, শাকসবজি, ফলমূলসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় প্রতিটি পণ্যের দাম বেড়েছে। তবে এবার পণ্য মূল্য বাড়ার হার কিছুটা কম। যা বাড়ার তা আগেই বেড়েছে। মুসলীম দেশ গুলোতে রমজান মাসে পণ্যেও দাম কমে। ব্যবসায়ীরা রোজার মাসে মুনাফা কম কওে তাই সে সব দেশে পণ্য মূল্য কমে। আমাদেও দেশে এর উল্টো। সংযম নয় রমজান মাস যেন ব্যবসায়ীদের বেশি আয়ের মাস। নিত্যপ্রয়োজনীয় হেন পণ্য নেই যা মজুতদারী হয় না। অসাধু ব্যবসায়ীদেও অতি লোভে প্রতিটি পণ্যেও গায়ে মূল্যবৃদ্ধির উত্তাপ বাড়ে। তফাত্টা শুধু ডিগ্রির, কোনোটার বেশি কোনোটার কম।
রমজান উপলক্ষে কতক বিশেষ পণ্যের চাহিদা বাড়ে। ভোজ্যতেল, চিনি, ছোলা, মসুর, পিঁয়াজ, রসুন, আদা, নানারকম গরম মশলার চাহিদা বেড়ে যায় অনেক। চাহিদা বাড়ে মাছ, মাংস, দুধের। আর ব্যবসায়ী-মজুদদাররা ধরেই নেয়, মুনাফায় পকেট ভারি করার মওকাই হচ্ছে সিয়াম সাধনার মাস পবিত্র রমজান। রমজানে দুটো পয়সা কামিয়ে নিতে এরা কোমর বেঁধে প্রস্তুতি নেয় পূর্বাহ্নেই। মজুদ গড়ে তোলে, দফায় দফায় মূল্য বাড়িয়ে সাধারণ ভোক্তাদের নাভিশ্বাস তুলে ছাড়ে। এসব মুনাফাখোর এদেশের অসহায় মানুষের কথা ভাবে না। রোজায় নিম্নআয়ের মানুষ তাদের চাপিয়ে দেয়া দাম দিয়ে খাবার কিনতে পারে না। ওরা ২ বেলা পেটপুরে খেতে পারে না। আসলে মানুষকে জিম্মি করে অধিক মুনাফা লাভের ব্যবসায়ীদের এই খেলা কোন সরকারই বন্ধ করতে পারেনি। কেন পওে না? এর উত্তর জানা নেই। না পরার কারণ নেই। সরকারের সদিচ্ছা থাকলে এই খেলা বন্ধ করা অবশ্যই সম্ভব, কিন্তু এই সম্ভবকে অসম্ভবের হাত থেকে বাঁচাতে সরকারকে অবশ্যই হার্ড লাইনে চলতে হবে। প্রথমে চিহ্নিত করতে হবে সেই সকল অসাধু ব্যবসায়ীকে যারা সিন্ডিকেটের মাধ্যমে বাজার নিয়ন্ত্রণ করতে তাদের সকল বিবেকহীন আয়োজন সম্পূর্ণ করেছে।
অর্থনীতিতে একটা কথা আছে, চাহিদার তুলনায় উৎপাদন যতো কম হবে পণ্যের দাম বাজারে ততো বেশি হবে। মুক্তবাজার অর্থনীতিতে বাজার নিয়ন্ত্রণ করা সহজ কাজ নয়। সেনানিয়ন্ত্রিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার ও চারদলীয় জোট সরকার এবং বর্তমান ক্ষমতাসীন সরকারের দু’পিরিয়ডে দেখেছি, যতবার পণ্যের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে, ততবার বাজারে মূল্যবৃদ্ধি হয়েছে। ব্যবসায়ীরা সরকারকে বারবার আশ্বাস দিচ্ছে, রোজার মধ্যে পণ্যের দাম বাড়বে না। কিন্তু বাস্তবে তা তামাশা মাত্র! তার কোনো প্রভাব বাজারে পড়ে না কখনো।  এবারও পড়বে বলে মনে হয় না। দেশব্যাপী ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা অসংখ্য অসাধ্ ুব্যবসায়ী সবসময়ই বেপরোয়া। তারা মন্ত্রী, সচিব, ডিসি, এসপিদের ছোঁড়া হুংকারকে দিব্যি ধিক্কার দিয়ে চলে। অসৎ বৃহৎ ব্যবসায়ীদের একটি গোষ্ঠী বরাবরই পণ্যমূল্য বাড়িয়ে তাদের পকেট স্ফীত করে চলেছে। এর একটা বিহিত হওয়া দরকার। দ্রব্যমূল্যের নিয়ন্ত্রণ সরকারকে যেকোন মূল্যে নিতেই হবে। এজন্য বিরোধীদলগুলোকেও সাহায্যের হাত বাড়িয়ে এগিয়ে আসতে হবে। এভাবে অহেতুক পণ্যমূল্য বাড়ার ঘটনা বোধকরি কোন সভ্য সমাজে ঘটে না। অন্য কোন দেশেও তার নজির নেই। এভাবে আর চলতে পারে না। দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে এখনই ওদের রুখতে হবে। সরকার, জনগণ দলমত নির্বিশেষে ওদের উপর দুর্বারগতিতে ঝাঁপিয়ে পড়তে হবে। প্রতিবাদী হতে হবে। বাজার নিয়ন্ত্রণে এর আর বিকল্প আছে বলে আমি মনে করি না।
সিন্ডিকেট মাতববররা এবং দেশব্যাপী ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা হাজার হাজার অসৎ ব্যবসায়ীদের হয়েছে পোয়াবারো। মন্ত্রী মহোদয়ের ছোঁড়া হুংকারকে দিব্যি ধিক্কার দিয়ে চলেছে ব্যবসায়ী সমাজের নিয়ন্ত্রক অসৎ বৃহৎ ব্যবসায়ীদের একটি গোষ্ঠী। এভাবেই দিন চলে যাচ্ছে। দরিদ্রজনেরা ঠিকই আহাজারি করে মরছেন আর পকেট দিন কে দিন স্ফীত হয়ে চলেছে অসৎ ব্যবসায়ীদের। এ এক করুণ ইতিহাস-বেদনাদায়ক ইতিহাস। এর পরিত্রাণ ঘটা দরকার। দ্রব্যমূল্যের নিয়ন্ত্রণ সরকারকে নিতেই হবে। এজন্য সাহায্যের হাত বাড়িয়ে বিরোধীদলগুলোকেও এগিয়ে আসতে হবে । তা না হলে এদেশের সাধারণ মানুষগুলো ঠকবে প্রতি পদে পদে। মুনাফাখোররা গড়বে টাকার পাহাড়। এটা চলতে দেয়া যায় না। কোন সভ্য সমাজ; জাতিতে তা চলতে পারে না। দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে এখনই ওদের রুখতে হবে। সরকার, জনগণ দলমত নির্বিশেষে ওদের উপর দুর্বার গতিতে ঝাঁপিয়ে পড়তে হবে। বাজার নিয়ন্ত্রণে এর আর বিকল্প আছে বলে আমি মনে করি না। আগাম সতর্ক বার্তার মতো উচ্চারণ করা যায়, রমজানে বাজার একবার চড়লে সেই চড়া বাজার আর নামতে চায় না। এটা হচ্ছে অতীতের অভিজ্ঞতা। সে জন্য পণ্যমূল্য স্থিতিশীল রাখতে যা যা করা দরকার রমজানের আগেই করতে হবে। হাতে যে সামান্য ক’টা দিন আছে সে ক’দিনকেই কাজে লাগাতে হবে। সেজন্য বাজার মনিটরিংয়ে সরকারকে চৌকস হতে হবে। আর তাতেই কিছুটা মুক্তি মিলতে পারে।
৥ লেখক- মীর আব্দুল আলীম, সাংবাদিক, গবেষক ও কলামিষ্ট।