সকল শিরোনাম

উপ-সম্পাদকীয় ইসলামের দৃষ্টিতে ভালবাসা অর্থনীতিতে এগুচ্ছে দেশ; সভ্যতায় কেন পিছিয়ে? নাসর ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা পাকিস্তানের শিগগিরই ছাত্রদলের নতুন কমিটি শুধু জিপিও-৫ নয়, সুনাগরিক হওয়াও জরুরি : শিক্ষামন্ত্রী বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ভালো হচ্ছে এবার বাড়ল ডালের দাম ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের পাঁচ দশক ৩ জেলায় ২ কিশোরী ও ১ শিশু ধর্ষণের শিকার মিলল সেন আমলের রাজবাড়ি বিভেদ ভুলে ঐক্যবদ্ধভাবে এগিয়ে যেতে হবে : প্রধানমন্ত্রী যৌবন ধরে রাখবে যেসব খাবার কোনো নির্বাচনেই অংশ নেবে না বিএনপি: মির্জা ফখরুল ফেসবুককে বিদায়ের কারণ জানালেন ন্যান্সি বিশ্বের শীর্ষ ১০০ চিন্তাবিদদের তালিকায় শেখ হাসিনা হাঁস মুরগি মাছে বিষাক্ত পদার্থ সরকারি চাকরিতে প্রতিবন্ধী কোটা বহাল ৫ কোম্পানির পানি পানের উপযোগী নয়: বিএসটিআই বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন ছিল প্রজাতন্ত্রের দৃঢ় ভিত্তি ভয়ের সংস্কৃতিতে আড়ষ্ট সমাজ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কাছে দেশবাসীর ৩টি চাওয়া দুর্নীতির একি রীতি? নিবার্চন উপলক্ষ্যে র‌্যাবের নিরাপত্তা বলয়ে রূপগঞ্জ ঢাকা-৫ আসন : ডেমরায় আওয়ামী লীগের নির্বাচনী প্রচারণা সভা সুষ্ঠু নির্বাচনে দেশ কি সক্ষম?


ছবি স্লাইড, সকল শিরোনাম, সর্বশেষ সংবাদ | ২২ ফাল্গুন ১৪২৪ | Tuesday, March 6, 2018

ভুয়া কোম্পানি খুলে সমবায় সমিতির ১শ’ কোটি টাকা লুটপাট

আমাদের সময়.কম

প্রকাশের সময় : 06/03/2018 -14:05
আপডেট সময় : 06/03/ 2018-14:05

জুয়াইরিয়া ফৌজিয়া : রাজধানীতে ভুয়া কোম্পানি খুলে লুটপাট করা হয়েছে সমবায় সমিতির প্রায় ১শ’ কোটি টাকা। আর এই অর্থ আত্মসাতের ঘটনাটি ঘটে দি কো-অপারেটিভ ক্রেডিট ইউনিয়ন লিগ সমবায় সমিতির সাবেক চেয়ারম্যান এবং জেনারেল ম্যানেজারের যোগসাজশে। আর পুরো টাকা ১২০ দিনের মধ্যে ফিরিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দেয় সমবায় অধিদপ্তর। তবে এরই মধ্যে দেশ ছেড়ে পালিয়েছে সাবেক চেয়ারম্যান সায়মন এ পেরেরা।

দি কো-অপারেটিভ ক্রেডিট ইউনিয়ন লিগ অব বাংলাদেশ লিমিটেড (কালব্)। ১৯৮৪ সালে প্রতিষ্ঠিত সংগঠনটির মোট সম্পদের পরিমাণ ৭শ’ ৯৭ কোটি টাকা। সদস্যদের বিপুল আস্থার প্রতিষ্ঠানের চার মেয়াদের চেয়ারম্যান সায়মন এ পেরেরা।

সবকিছু ঠিকঠাক চলছিল ২০১৪ সাল পর্যন্ত। কিন্তু ২০১৪ ও ২০১৬ মেয়াদে চেয়ারম্যান হওয়ার পর শুরু হয় অনিয়ম। আরিয়ান ক্যামিক্যাল লিমিটেড নামে নাম সর্বস্ব প্রতিষ্ঠান খুলে চেয়ারম্যান সায়মন। প্রথমে কোম্পানির শেয়ার এবং পড়ে ঋণ দেওয়ার নাম করে দুই দফায় স্থানান্তর করা হয় এই অর্থ।

এই কোম্পানি শেয়ার কেনার নামে প্রথমে সরিয়ে নেয় ২০ কোটি টাকা। পড়ে আরও ৭৭ কোটি টাকা সরিয়ে নেওয়া হয় কোম্পানিটিকে ঋণ দেওয়ার নামে। প্রায় শত কোটি টাকা লোপাটে চেয়ারম্যান সায়মনকে সহযোগীতা করে সমবায়টি তখনকার জেনারেল ম্যানেজার রতন ডি কস্তা। এইসব তথ্য উঠে এসেছে সমবায় অধিদপ্তরের নিরীক্ষায়।

এর আগে অনিয়মের বিষয়গুলো অধিদপ্তরের নজরে আনে নতুন পরিচালনা পর্ষদ। তারাই আবেদন জানায় সায়মন এ পেরেরা থাকাকালীন অর্থ আত্মসাতের ঘটনাটি তদন্ত করার। নিরীক্ষ শেষে ১১৪ কোটি টাকা অনিয়মের তথ্য পেয়েছে সমবায় অধিদপ্তরের তদন্ত দল। রিপোর্টে ভিত্তিতে ২০১৪, ২০১৬ সালের পরিচালনা পর্ষদ সদস্যদ্যের ১২০ দিনের মধ্যে পুরো টাকা ফেরত দেওয়ার নির্দেশ দেয় অধিদপ্তর। কালব্-এর সাবেক চেয়ারম্যান সায়মন এবং ম্যানেজার রতন ডিকোস্তা গায়ে নিরুপণ করা হয় প্রায় ৯৭ কোটি টাকা। আর পরিচালনা পর্ষদের প্রত্যেক সদস্যদের ১ কোটি ৫৩ লাখ টাকা পরিশোধের নির্দেশ দেয় নিয়ন্ত্রণ সংস্থা।

জানা যায় সায়মন বর্ত মানে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছে।

কালব্-এর সহ-সভাপতি মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ বলেন, বিপুল পরিমাণ অর্থ লুট হলেও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ নেই। এখন অপেক্ষা ১২০ দিন শেষ হওয়ার। আমরা সরকারকে বলেছি এটা সরকারি লেভেলে নিয়ে যাওয়ার জন্য।