সকল শিরোনাম

.রূপগঞ্জে পিএসসি পরীক্ষায় অনিয়মের অন্ত:নেই স্বপ্ন-সুখের সংসার করা হলোনা রিমুর : ডেমরায় প্ররোচনায় পড়ে গলায় ফাঁস দিয়ে শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা ডেমরায় পঙ্গুদের মাঝে হুইল চেয়ার ও ক্রাচ বিতরণ শেখ হাসিনা বর্তমান বিশ্বের সবচেয়ে দীর্ঘস্থায়ী নারী শাসক ধর্মের নামে একটি কুচক্রিমহল শিক্ষিতযুবকদের ভুলপথে নেয়ার ষড়যন্ত্রে মেতে উঠেছে: হাবিবুর রহমান মোল্লা এমপি আল-রাফি হাসপাতালের উদ্যোগে চিকিৎসকদল রোহিঙ্গা ক্যাম্পে শুভ জন্মদিন প্রিয় নেত্রী শেখ হাসিনা -নূরুন্নবী চৌধুরী শাওন চলন্ত বাসে গণধর্ষণ করে হত্যার লোমহর্ষক বর্ণনা: আদালতে স্বীকারোক্তি ইউরোপ থেকে অবৈধ বাংলাদেশিদের ফেরত আনতে চুক্তির খসড়া চূড়ান্ত রোহিঙ্গা গণহত্যা বন্ধে আসিয়ানকে ভূমিকা নেওয়ার আহবান থমকে গেছে বিএনপি ঈদে আসছে রনি’র মিউজিক ভিডিও “কোরবানি” সীতাকুণ্ডে অজ্ঞাত রোগে ৯ জনের মৃত্যু সরকার দেশের পরিবেশ ও মানুষকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিচ্ছে: রিজভী সরকার অবাধ তথ্য প্রবাহে বিশ্বাস করে : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ উন্নয়নের মহাসড়কে এগিয়ে চলেছ ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রনে বাংলাদেশের বিজ্ঞানীর বিশ্ব অবাক করা আবিষ্কার ‌‘দেশকে অস্থিতিশীল করার চক্রান্ত চলছে’ দেশে আল্লাহর গজব পড়েছে: এরশাদ দুই নগরে নৌকা চাই… বাহ! ভালইতো… ঢাকায় প্রতি ১১ জনের একজন চিকুনগুনিয়ায় আক্রান্ত ‘গাড়ির চাপ দেখলেই মন্ত্রী-এমপিদের ধৈর্য মানে না’ বাংলাদেশকে সমর্থন দেবে থাইল্যান্ড ‘মুসলিমরা ডোনাট খায় না’ গুজবের নেপথ্যে


এ পাতার অন্যান্য সংবাদ

স্বপ্ন-সুখের সংসার করা হলোনা রিমুর : ডেমরায় প্ররোচনায় পড়ে গলায় ফাঁস দিয়ে শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা ডেমরায় পঙ্গুদের মাঝে হুইল চেয়ার ও ক্রাচ বিতরণ শেখ হাসিনা বর্তমান বিশ্বের সবচেয়ে দীর্ঘস্থায়ী নারী শাসক ধর্মের নামে একটি কুচক্রিমহল শিক্ষিতযুবকদের ভুলপথে নেয়ার ষড়যন্ত্রে মেতে উঠেছে: হাবিবুর রহমান মোল্লা এমপি আল-রাফি হাসপাতালের উদ্যোগে চিকিৎসকদল রোহিঙ্গা ক্যাম্পে শুভ জন্মদিন প্রিয় নেত্রী শেখ হাসিনা -নূরুন্নবী চৌধুরী শাওন ইউরোপ থেকে অবৈধ বাংলাদেশিদের ফেরত আনতে চুক্তির খসড়া চূড়ান্ত থমকে গেছে বিএনপি শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ উন্নয়নের মহাসড়কে এগিয়ে চলেছ ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রনে বাংলাদেশের বিজ্ঞানীর বিশ্ব অবাক করা আবিষ্কার দেশে আল্লাহর গজব পড়েছে: এরশাদ দুই নগরে নৌকা চাই… ঢাকায় প্রতি ১১ জনের একজন চিকুনগুনিয়ায় আক্রান্ত ‘গাড়ির চাপ দেখলেই মন্ত্রী-এমপিদের ধৈর্য মানে না’ বাংলাদেশকে সমর্থন দেবে থাইল্যান্ড

ক্ষমতাওয়ালাদের পাহাড় : আর লাশগুলো আমাদের!

ছবি স্লাইড, শীর্ষ সংবাদ, সকল শিরোনাম, সর্বশেষ সংবাদ | ৬ আষাঢ় ১৪২৪ | Tuesday, June 20, 2017

---পাহাড় যেন ক্ষমতাওয়ালাদের পৈত্রিক সম্পদ। এ সম্পদ তারা ব্যবহার করছে যথেচ্ছভাবে। পাহাড়ের মাটি আর গাছ পালা সাবার করে দিচ্ছে। সেখানে গড়ছে বড়বড় সব অট্রালিকা। পাহাড়ে এভাবে দানবীয় হাত পড়লে পাহাড়তো নড়বড়ে হবেই। তাই বৃষ্টি হলেই পাহাড় ভেঙ্গে পড়ছে মানুষের উপর। এবারও পাহাড় চাপায় দেড়শরও বেশি মানুষের জীবন গেছে। ঐ যে বলছিলাম, পাহাড়গুলো ক্ষমতাওয়ালাদের। আর লাশ গুলো আমাদের। ওরা পাহাড় ধ্বংষ করবে, আর পাহাড় গুলো প্রতিশোধ নেবে আমাদের নিরিহ অসহায় মানুষের উপর। এইতো হচ্ছে। সমপ্রতি ঘটে যাওয়া পাহাড় ধসের ঘটনায় দেড় শতাধিক মানুষের মৃত্যুকে কি বলবো আমরা? এক ধরনের হত্যাকান্ডইতো?

চট্টগ্রামের পাহাড়গুলোর ওপর বিবেকওয়ালাদের চোখের সামনে নির্বিচারে অত্যাচার চালছে। পাহাড় খাদকরা অনেক পাহাড় খেয়ে ফেলেছে। অনেক পাহাড় তাদের হিংস্র থাবায় ক্ষত-বিক্ষত ও মৃত্যুপ্রায়। পাহাড় থাদকরা আগে পাহাড়ের গাছপালা কেটে সাবাড় করে। পরে মাটি সাবাড় করেছে এবং সর্বশেষ পাহাড়ের জায়গাটি বাড়িঘর, নির্মাণ, কলকারখানা স’াপন বা অন্য কোনো কাজে ব্যবহার করেছে। পাহাড়ধস বলতে এত দিন বোঝানো হতো খাড়া পাহাড় ভেঙে পড়া। এক সময় যেসব পাহাড় ছোটবড় গাছে পূর্ণ ছিল এখন বলতে গেলে বিরান ভুমি। জীব জন’ ও পাখপাখালিতে ভরপুর ছিল এসব পাহাড়। এখন তার অধিকাংশই ন্যাড়া, বৃক্ষহীন, রুক্ষ, ভংগুর অবস’ায় পতিত। এসব কারনে পাহাড়গুলো ধসে গিয়ে মানুষের উপর পরছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নির্বিচারে পাহাড় কাটার পাশাপাশি পাহাড় থেকে বড় বড় গাছ কেটে ফেলার কারণেই এই বিপর্যয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের অধ্যাপক ড. শহীদুল ইসলাম পত্রিকাকে বলেন, পাহাড়ে এক সময় বড় বড় গাছ ছিল, যেগুলো কেটে ফেলা হয়েছে ফলে পাহাড়ের ভেতরে ফাটলের সৃষ্টি হয়। বর্ষার প্রথম ভারী বর্ষণের পানি সেই ফাটল দিয়ে প্রবেশ করে। এতে পাহাড় ভেঙে পড়তে পারে। পাহাড়ের গায়ে জন্মানো বন-জঙ্গল ও গাছপালা এর অভ্যন-রীণ বন্ধন শক্ত রাখে। কিন’ লোভী মানুষ অব্যাহতভাবে পাহাড় কাটলে সে বন্ধন টিকে থাকে কি করে? এতেই পাহাড় ধসের পরে। মানুষ মারা যায়।

পার্বত্য জেলাগুলোতে প্রতিবছরই এভাবে লাশের ভারে পাহাড় কাঁদে। এবারও তাই হলো। থরে থরে সাজানো লাশ। তা দেখে স্বজনের কান্না আর অবিরাম বৃষ্টি যেন মিলেমিশে একাকার হয়েছে পাহাড়ি এলাকায়। এবারের দুর্ঘটনায়, অনেকে হারিয়েছেন স্ত্রী-সন-ান, কেউ হারিয়েছেন মা ও ভাইবোন। কোন কোন পরিবারের এখন আর কেউ বেঁচে নেই। সরকার ও স’ানীয় প্রশাসনের অবহেলা, অমনোযোগ ও দায়িত্বহীনতার বলি হতে হয়েছে এসব মানুষকে।এ পরিসি’তি চলতে দিলে আগামীতে আরও ভয়াবহ মানবিক বিপর্যয়ের আশঙ্কা রয়েছে। অনতিবিলম্বে ঝুঁকিতে থাকা কয়েক হাজার পরিবারকে সরিয়ে নেওয়াসহ ক্ষতিগ্রস- পরিবারগুলোর উপযুক্ত পুনর্বাসন করতে হবে।

পাহাড় ধসের আশংকা করে দু’মাস আগে চট্রগ্রামের প্রথম শ্রেনীর দৈনিকে লিখেছিলাম “আর পাহাড় চাপা লাশ চাই না”। এ লেখাটি ঢাকার দৈনিকেও ছেপেছে। লিখেছিলাম- ‘ঝড়-বৃষ্টি আগত। এবারও হয়তো পাহাড় ধসবে। এবারও হয়তো মানুষ মরবে! পাহাড় ধসুক, আর তাতে জানমালেরর ক্ষতি হউক এমন প্রত্যাশা করি না। তবে ধারাবাহিক নিয়মে হয়তো তা ঘটতে পাওে এমন আশংকা করা অমুলক হবে না। এজন্য আগেভাগেই আমাদের সজাগ থাকতে হবে। সংশ্লিষ্টরা এ ব্যাপারে সজাগ আছেন কি না সে বিষয়ে সংশয় আছে? বিগত দিনের মত এবারও তারা উদাসিনতার হলে আবারও হয়তো অপ্রত্যাশিত লাশ আমরা দেখবো পাহাড়ের পাদদেশে।’ প্রশাসন আমার সে লেখায় নজর দিলে হয়তো পাহাড়েরর মৃত্যু রোধ করা যেত। আসলে পাহাড়ি মানুষের কান্না কি প্রশাসন শোনতে পায় না? সেই কান্নার আওয়াজ দায়িত্বশীলদের কর্ণকুহরে প্রবেশ করলে হয়তো ফিবছর পাহাড় চাপা পড়ে এতো মানুষ মরতো না। ফি বছর পাগাড় চাপায় এভাবে মানুষ মরছে, কি করছি আমরা? প্রশাশনের কি দায়িত্ব বলে কিছু নেই? বোধ করি লজ্জাবোধও নেই। আমরা সবই কতই না নির্লজ্জ!

আমাদের ভূতাত্ত্বিকরা বলছেন, পাহাড়ের গাছপালা ও মাটি কেটে ফেলা, প্রাকৃতিক খাল বা ঝরনার গতি পরিবর্তন, ঢালে অতিরিক্ত ওজনের স’াপনা নির্মাণে এবং খনি খননের কারণে পাহাড় ধস হতে পারে।  বাংলাদেশে মূলত পাহাড়ের উপরের দিকে কঠিন শিলার অভাব, মাটি এবং বড় গাছপালা কেটে ফেলার কারণেই পাহাড় ধসে থাকে। নির্বিচারে পাহাড় কেটে বসতি স’াপন এবং বন-জঙ্গল ও গাছ উজাড়ের কারণেই চট্টগ্রাম ও পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলে পাহাড় ধসের ঘটনা ঘটছে। জেলা প্রশাসনের নথি ঘেঁটে দেখা যায়, চট্টগ্রামে প্রতিবছরই ভয়াবহ পাহাড় ধসের ঘটনায় প্রচুর লোকের প্রাণহানি হ”েছ। কেবল ২০০৭ সালে পাহাড় ধসে ১২৭ জন, ২০০৮ সালে ১৪ জন, ২০০৯ সালে ৩ জন, ২০১০ সালে ৩ জন, ২০১১ সালে ১৭ জন, ২০১২ সালে ৯৪ জন, ২০১৩ সালে ২ জন, ২০১৪ সালে ৩ জন, ২০১৫ সালে ১৯ জন প্রাণহানি হয়। ২০১৭ সালে ১২৬ জন মারা গেছেন। হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়বে। এক হিসাবে দেখা গেছে গত ১০ বছরে ৪০১ জনেরও বেশি মানুষ পাহাড় চাপায় মারা গেছে। আহত হয়েছে সহস্রাধিক। পাহাড়ের পাদদেশে মৃত্যুফাঁদে মানুষের বসবাস থেমে থাকেনি। বৃষ্টি-বাদলের সময় এলেই তোড়জোড় চলে। ২০০৭ সাল থেকে কর্তৃপক্ষ, প্রশাসক বদল হয়েছে বেশ কবার। কিন’ পরিসি’তির উন্নতি হয়েছে, তা বলা যাবে না। অনেক উদ্যোগ নেয়া হয়েছে বছর বছর। কিন’ পাহাড় সুরক্ষা পায়নি, বসি-র সংখ্যাও কমেনি। পাহাড় বিপর্যয়ের নেপথ্য নায়করা অধরাই থেকে গেছে। পাহাড়ের মালিকতো ভূমি মন্ত্রণালয়। আর পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার দায়িত্ব পালন করছে পরিবেশ মন্ত্রণালয়। এসব এলাকায় ঘরবাড়ি ও বসি- নির্মাণের ব্যাপারে আপত্তি ও অনাপত্তির বিষয়টি দেখার দায়িত্ব গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের। তিন মন্ত্রণালয় এখানকার পাহাড়গুলোর খোঁজখবর কতটুকু রাখে? খবর নেয়ার নমুনাতো প্রতি বারই টের পাই আমরা। ওরা খোঁজ এতটুকই রাখে মানুষ মরলে! হৈ চৈ হম্বি তম্বি করে আবার চুপসে যায়।

মানুষ মরে পাহার চাপা পরে। প্রতিবছরই আমরা চাপা লাশ দেখে আহ! উহ! করছি তো; করছিই।  যা হবার তাই হয়। কেউ তাতে গাঁ ঘামায় না। প্রশ্ন হলো, পাহাড় ধসের ঘটনা বার বার কেন ঘটছে? এ পর্যন্ড পাহাড় ধস এবং প্রবল বর্ষণে পার্বত্যাঞ্চলে যে মৃত্যুর মিছিল আমরা দেখেছি তার পেছনে প্রশাসনিক গাফিলতিই মুখ্য বলে মনে হয়। সেখানে সতর্কবার্তা হিসেবে মাইকিং করলেও ভুক্তভোগীদের বিকল্প কোনো মাথা গোঁজার ঠাঁই না থাকায় এ দুর্ঘটনার শিকার হতে হ”েছ। অবশ্য গত বছর পাহাড়ে বসবাসরতদের জন্য স্বল্প হলেও বিকল্প বসবাসের অস’ায়ী ব্যবস’া নিয়েছে প্রশাসন। এজন্য সাধুবাদ জানাতেই হয়। তবে গুটি কয়েকের থাকার ব্যবস’া করলেই হবে না, সেখানে থাকানোর ব্যবস’াও করতে হবে। তদেও এ পদক্ষেপে পাহাড়ের পাদদেশে বসবাসকারীদের ৫ ভাগও এখনো নিরাপদে সরে আসেনি। এ নিয়ে প্রশাসনের পক্ষ থেকে হম্বিতম্বি করা হলেও কাজের কাজ কিছুই হয়নি। পাহাড়ের পাদদেশে এখনো অসংখ্য মানুষের বসবাস আছে। পাহাড়কে ন্যূনতমও নিরাপদ করা যায়নি এখনো। সংশ্লিষ্ট সূত্র থেকো জানা যায়, কেবল চট্রগ্রাম নগরীর ১১ পাহাড়ের নিচে এখনো ঝুঁকিপূর্ণভাবে ৬৬৬ পরিবার বসবাস করছে।

আবহাওয়াবীদরা বলছেন, আবহাওয়ার বৈরিতার কারণে প্রচন্ড বৃষ্টিপাতে পাবত্য জেলার খাড়া পাহাড়গুলো ক্রমশ দুর্বল হয়ে পড়ে। একদিকে মাটি কেটে পাহাড়খেকোদের আবাসন তৈরির ব্যবসা, অন্যদিকে সঠিক রক্ষণাবেক্ষণ ও সরকারি নিয়মনীতি না থাকার কারণে বন্দর নগরীতে প্রতিবছরই ঘটছে পাহাড়ধসে হতাহতের ঘটনা। জেলা প্রশাসনের নথি ঘেঁটে দেখা যায়, চট্টগ্রামে প্রতিবছরই ভয়াবহ পাহাড় ধসের ঘটনায় প্রচুর লোকের প্রাণহানি হ”েছ। কেবল ২০০৭ সালে পাহাড় ধসে ১২৭ জন, ২০০৮ সালে ১৪ জন, ২০০৯ সালে ৩ জন, ২০১০ সালে ৩ জন, ২০১১ সালে ১৭ জন, ২০১২ সালে ৯৪ জন, ২০১৩ সালে ২ জন, ২০১৪ সালে ৩ জন, ২০১৫ সালে ১৯ জন প্রাণহানি হয়। ২০১৭ সালে ১২৬ জন মারা গেছেন। হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়বে।

এভবে প্রতি বছর পাহাড় ধসে প্রচুর লোক মারা যায়। এর পরও এখনো সেই পাহাড়ের পাদদেশে বসবাস করছেন সমাজের নিম্ন আয়ের মানুষ। রাজনৈতিক নেতারা জোরপূর্বক এসব পাহাড় দখল করে সেখানে টিনশেড ঘর তুলে তা ৫০০ থেকে ১০০০ টাকায় ভাড়া দি”েছ। চট্টগ্রামের খুলশী ও রেলওয়ে সংলগ্ন একাধিক এলাকার পাহাড়ে এখন রমরমা পাহাড় বাণিজ্য চলছে। চট্রগ্রামকে বলা হয় বন্দর নগরী, এই শহরের প্রাদদেশে প্রশাসনের চোখের সামনে এখনো নগরীতে ১৩টি ঝুঁকিপূর্ণ পাহাড় ও টিলায় শত শত মানুষ বাস করছে। লালখান বাজার এলাকায় একে খান মালিকানাধীন পাহাড়, ইস্পাহানী পাহাড়ের দক্ষিণ পাশে, লেকসিটি এলাকায়, কৈবল্যধাম বিশ্বকলোনি, আকবর শাহ আবাসিক এলাকার পাহাড়ে, সিটি করপোরেশনের পাহাড়ে, ফরেস্ট রিসার্চ ইনস্টিটিউট একাডেমির উত্তরে মীর মোহাম্মদ হাসানের মালিকানাধীন পাহাড়ে, জালালাবাদ হাউজিং সোসাইটি সংলগ্ন পাহাড়ে, মতিঝর্ণা ও বাটালি হিল পাহাড়ে রয়েছে লোকজনের মৃত্যুর সঙ্গে বসবাস। যেভাবে বসতি গড়া হ”েছ তাতে আর পাহাড় থাকবে না। সব কেটে সাফ করে ফেলা হবে। পাহাড়কে পাহাড়ের মতো থাকতে দেয়া উচিত। পরিবেশ বিজ্ঞানী অধ্যাপক কামাল হোসাইন বলেন, ‘প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষায় পাহাড় ব্যবস’াপনায় যে ধরনের উদ্যোগ গ্রহণ করা দরকার ছিল, প্রশাসন তা করতে পারেনি। এ কারণেই পাহাড়ে মৃত্যুর ঝুঁকি ক্রমাগত বাড়ছে। পাহাড়কে মাত্রাতিরিক্ত পরিমাণে অপব্যবহার করেছি, করছি আমরা। তাই প্রকৃতি আমাদের ওপর প্রতিশোধ নিচ্ছে।’

পরিবেশ বিশেষজ্ঞদের মতে, পাহাড় ধসের মূল কারণ হলো পাহাড় থেকে মাটি কাটা, পাহাড়গুলো ৩০ ডিগ্রির বেশি ঢালু হলে সে পাহাড়ের পাদদেশে বিপজ্জনক অবস’া তৈরি হয়। পার্বত্য জেলাগুলোয় রয়েছে ৯০ ডিগ্রি পর্যন- অসংখ্য ঢালু পাহাড়। মাটির জমাট বাঁধা পাহাড় যখন কাটার মহোৎসব চলে তখন প্রবল বর্ষণ হলে মাটির ওপরের আবরণ না থাকায় যে প্রবল জলধারা নিচে ধাবিত হয় তার সঙ্গে বিপুল পরিমাণ মাটি এসে পাহাড়ের পাদদেশে আছড়ে পড়ে। আর তখনই ঘটে মর্মানি-ক ঘটনা। ২০০৭ সালে যখন পাহাড় ধসে ব্যাপক প্রাণহানি হয় তখন তদন- কমিটি গঠন করা হয়েছিল। সে আলোকে প্রশাসনিক কোনো ব্যবস’া গ্রহণ করা হয়নি। ২০০৭ সালে ভয়াবহ বিপর্যয়ের পর পাহাড়ের পাদদেশে গাইডওয়ালসহ শক্ত প্রটেকশন করার কথা থাকলেও নেয়া হয়নি কার্যত কোনো ব্যবস’া। আর এসব কারণেই এ রকম মর্মানি-ক ঘটনা ঘটল। তদন- কমিটি গঠন করা হয় ভবিষ্যতে যাতে এ রকম ঘটনা আর না ঘটে। কিন’ তদন- কমিটির আলোকে কার্যকর ব্যবস’া গ্রহণ করা না হলে তা কিভাবে রোধ করা যাবে? পাহাড়ের মাটি কেটে যারা পাহাড়টাকে বিপজ্জনক করে তুলল তারা কিভাবে সেটা করতে পারল তার জবাব কে দেবে? কারা পাহাড় কেটে পাহাড়কে মৃত্যুকূপে পরিণত করছে তাদের খুঁজে বের করতে হবে। একই ঘটনা বার বার ঘটবে আর পাহাড়ে মানুষের লাশের সংখ্যা বৃদ্ধি পাবে এটা হতে পারে না। যারা সেখানে অনন্যোপায় হয়ে বসবাস করছেন তাদের জন্য বিকল্প ব্যবস’া সরকারকে নিতে হবে। নইলে বিপজ্জনক পাহাড়ের পাদদেশে প্রটেকশন দেয়াল নির্মাণ করে তাদের নিরাপত্তা বলয় গড়ে দিতে হবে। দুর্ঘটনার পর ত্রাণের ঝুলি নিয়ে সরকার এগিয়ে আসবে, আমরা এ বৈষম্য দেখতে চাই না। সাধারণ বর্ষণেই যদি মানুষের প্রাণ কেড়ে নিতে পারে তাহলে ভয়াবহ কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এবং বড় কোনো ভূমিকম্পের ঘটনা ঘটলে দেশের মধ্যে কী ধরনের অবস’া হবে তা ভাবলেই গা শিউরে ওঠে। আগের ঘটনা থেকে পাহাড়ের মানুষ শিক্ষা নেয়নি বলেই তাদের এ করুণ পরিণতি বরণ করতে হচ্ছে। একটি বিষয় স্পষ্ট করেছে তা হলো আবার ভূমিধস ফিরে আসবে। পাহাড়ে এখন যারা বসবাস করছেন তারা অতিসত্ত্বর অন্যত্র আত্রয় না নিলে পাহাড়ের আক্রোশ থেকে তাদের রেহাই নেই। পাহাড় থেকে যথেচ্ছভাবে মাটি কেটে নেয়ায় সবচেয়ে বেশি ভূমিধসের ঘটনা ঘটছে। খাড়া পাহাড় থেকে যখন তীব্র বর্ষণের ধারা প্রবাহিত হয় তখন গতি থাকে বেশি। আর মাটি কেটে ওপরের শক্ত আবরণ তুলে নেয়ায় প্রবাহিত পানির তোড়ে মাটি নরম হয়ে পাদদেশে পড়ে বিপর্যয় ডেকে আনে।

আসলে নিয়তির জালেই যেন পাহাড়ের মানুষের জীবন বন্দি। কার্যকর ব্যবস’া গ্রহণ করে মৃত্যুকূপ থেকে পাহাড়ের মানুষকে রক্ষা করতে হবে। এটাই প্রত্যাশা। আসলে, প্রতিরোধযোগ্য হলেও ব্যবস’া নেয়া হয় না। এজন্য অশিক্ষিত-অসচেতন মানুষ যত না দায়ী তার চেয়ে বেশি দায়ী সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভাগ। তাই উপহার হিসেবে লাশের পর লাশ পাচ্ছি আমরা। পার্বত্য অঞ্চলে পাহাড় চাপা পড়ে প্রাণ হারানোর ঘটনা বেশ পুরনো। যারা লেখালেখি করেন তারা তাদের লেখনীর মাধ্যমে সতর্ক করে থাকেন। হরদম হচ্ছে লেখালেখি। গুরুত্বের সঙ্গে তা ছাপছেও জাতীয় এবং আঞ্চলিক পত্রিকাগুলো। কে শোনে কার কথা? তাই যা হওয়ার তাই হয়। গত কয়েক বছরে পার্বত্য জেলাগুলোয় পাহাড়ের নিচে দখল আর বসতি এত বেড়েছে, এ নিয়ে আর শঙ্কিত না হয়ে উপায় নেই। পাহাড়ের নিচের অবৈধ ও ঝুঁকিপূর্ণ বসবাসকারীদের উচ্ছেদ করা হচ্ছে না। তারা এখনো আছে বেশ বহাল তবিয়তে। যৎসামান্য তৎপরতা ছাড়া সংশ্লিষ্ট বিভাগ এবারো উদাসীন। কানে তুলা দিয়ে চোখ বন্ধ করে ঘুমে বিভোর। তাই যা হওয়ার তাই হয়তো হবে, হ”েছও। দেশবাসীকে পাহাড় চাপাপড়া লাশ দেখতে হলো আবারো। কিন’ কেন এমন হচ্ছে? নিশ্চিত মৃত্যু জেনেও তা ঠেকানো যাচ্ছে না কেন? আসলে ঠেকানো যায়; ঠেকানো হয় না। কিন’ কেন?

অবৈধভাবে পাহাড়ে বসতি গড়ে নিম্ন আয়ের মানুষের কাছে ভাড়া দিচ্ছেন প্রভাবশালী একটি চক্র। ঝুঁকিপূর্ণ পাহাড়ে ঘর বানানো থেকে শুরু করে বিদ্যুৎ, পানি ও গ্যাসের সংযোগও দিচ্ছেন তারা। পাহাড়ে ঝুঁকিপূর্ণভাবে বসবাসকারীদেরও নিয়ন্ত্রণ করছেন তারা। বলতে গেলে পাহাড়েরই নিয়ন্ত্রণ এই চক্রের হাতে। প্রশাসনের নাকে ঢগায় দিনের পর দিন পাহাড়ে এভাবে রাম-রাজত্ব কায়েম করলেও তাদের উৎখাতে কোনও পদক্ষেপ নেই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের। বরং প্রভাবশালী চক্রের পেছনে রাজনৈতিক আশীর্বাদ থাকার কারণে পাহাড় দখলমুক্ত করতে অপারগ খোদ স’ানীয় প্রশাসন। অভিযোগ রয়েছে, রাজনৈতিক নেতাদের ছত্রছায়ায় পাহাড়ে রাজত্ব চালিয়ে আসছে প্রভাবশালী এসব চক্র। সরকারি দল-বেসরকারি দলের প্রভাব-প্রতিপত্তি নয়, পাহাড়ে আধিপত্য বিস-ারই তাদের মুখ্য উদ্দেশ্য। ফলে ক্ষমতার পালাবদল হলেও পাহাড়ে তাদের রাজত্বের কোনও পরিবর্তন হয় না। যুগের পর যুগ টিকে থাকে তাদের আধিপত্য।গত তিন দশকে চট্টগ্রাম নগরীতে শতাধিক পাহাড় বিলুপ্ত হয়ে গেছে। এসব পাহাড় কেটে নির্মাণ করা হয়েছে আবাসন। নগরীতে বর্তমানে টিকে রয়েছে মাত্র ৮৬টি পাহাড়। তবে এগুলোর অসি-ত্বও বিপন্ন। এই ৮৬টি পাহাড়ের মধ্যে অক্ষত রয়েছে মাত্র ১৩টি। অবশিষ্ট ৭৩টি পাহাড় কেটে আবাসনসহ বাণিজ্যিক কাজে ব্যবহারের পাঁয়তারা চলছে। এই ৭৩টি পাহাড়ের মধ্যে কিছু পাহাড়ের এক-তৃতীয়াংশ ও কিছু পাহাড়ের দুই-তৃতীয়াংশ এরই মধ্যে কেটে ফেলা হয়েছে। প্রায় ৫০টি পাহাড়ের ওপরে-নিচে ও আশপাশে অত্যন- ঝুঁকিপূর্ণভাবে গড়ে তোলা হয়েছে ৯০৭টি বসি-।

পাহাড়ি ভূমিধসের পর সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, সুশীল সমাজ, বিশেষজ্ঞদের নানা বক্তব্য ও উদ্যোগ অবশ্যই লক্ষণীয়। বিশেষ করে সরকারের নানা উদ্যোগের পর সংশ্লিষ্ট অনেকেই আশ্বস- হয় এই ভেবে ভবিষ্যতে এমন কর“ণ পরিণতি আর হবে না। এসব উদ্যোগের মধ্যে অন্যতম ছিল একটি টেকনিক্যাল বিশেষজ্ঞ কমিটির মাধ্যমে পাহাড় ধসের কারণ ও প্রতিকারের বিষয়ে মতামত গ্রহণ এবং সার্বক্ষণিক তদারকি করা। সেই সঙ্গে অনিরাপদ বসতি সরিয়ে ফেলা। পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। ওই বিষয়টি নিয়ে আমারও কাজ করার সুযোগ হয়েছিল। আমরা লেখনীতে সুস্পষ্ট মতামত দিয়েছিলাম। অন্যদিকে সরকার গঠিত এক কমিটি ৫ বছর আগে পাহাড়ি ভূমিধসের সুস্পষ্ট কারণ উল্লেখসহ সুনির্দিষ্ট সুপারিশমালা পেশও করেছিল। কিন‘ দুর্ভাগ্য এর অধিকাংশই মাঠপর্যায়ে বাস-বায়িত হয়নি। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, একটি জরিপের মাধ্যমে ঝুঁকিপূর্ণ স’ানগুলোকে জর“রি ভিত্তিতে চিহ্নিত করার সুপারিশ ছিল, যা আজ পর্যন- বাস-বায়িত হয়েছে বলে আমার জানা নেই। তেমনিভাবে বাস-বায়িত হয়নি পাহাড়ের পাদদেশে বিপদসঙ্কুল অবস’ায় বসবাসকারী বসি-বাসীকে উপযুক্ত কর্মসংস’ানের ব্যবস’াসহ নিরাপদ স’ানে পুনর্বাসনের কর্মসূচি। বাস-বায়িত হয়নি পাহাড় কাটার আশঙ্কা কিংবা বন উজাড়ের ঘটনা। পাহাড় হন-ারকদের পাহাড় কাটা থেকে বিরত করা যায়নি। অন্যদিকে প্রশাসন, সিটি করপোরেশনের কিছু কর্মকর্তা-কর্মচারীর লোভাতুর হস- গুটিয়ে না নেয়ায় অশিক্ষিত এ জনগোষ্ঠী টুপাইস দিয়ে পাহাড়ের পাদদেশেই ঝুঁকিপূর্ণ বসবাস অব্যাহত রাখে।

একের পর এক পাহাড় চাপা পড়ে জানমালের ক্ষয়ক্ষতির ঘটনায় পাহাড় ব্যবস’াপনায় আমাদের অক্ষমতাকেই প্রকাশ করছে। প্রতি বছর ধরে ভয়াবহ নিশ্চিত দুর্ঘটনায় এমন কর“ণ মৃত্যুকে স্বাভাবিকভাবে মেনে নেয়া যায় না। এর আগে একটি শক্তিশালী টিম গঠন করা হয়েছিল। এ টিম মাঠপর্যায়ে পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে পাহাড়ি ভূমিধসের আশঙ্কার ওপর সার্বক্ষণিক নজরদারি করবে। কিন‘ সে টিমের হদিস আছে কি? তবে এসব সুপারিশের অধিকাংশ বাস-বায়নে সংশ্লিষ্ট প্রশাসন ব্যর্থ হলেও পাহাড়ি ভূমিধসে চাপাপড়া লাশ উদ্ধার কিংবা লাশের মিছিলে ছুটে গিয়ে সরকারি দায়িত্বশীলদের অতিমাত্রায় লম্ফঝম্ফ ও প্রতিশ্রুতির কোনো অন- থাকে না। বিষয়টি এখন অনেকটা হাস্যকর পর্যায়ে পৌঁছেছে। তাই এখন সময় এসেছে প্রতিশ্রুতি ও লম্ফঝম্ফ বন্ধ করে কিছু কাজ করে দেখানোর। দয়া করে নিরাপদে পাহাড়ি বসি-বাসীদের জীবন রক্ষা কর“ন। একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি বন্ধ কর“ন; এ ধরনের দায়িত্বহীনতার কারণে মৃত্যুর দায়-দায়িত্ব আপনাদের ওপরেই বর্তায়। আপনারা এসব জানমাল রক্ষায় আর দায়িত্বহীনতার পরিচয় দেবেন না। পাহাড়ে বসবাসকারী অসচেতন অশিক্ষিত মানুষকে নিশ্চিত মৃত্যুর হাত থেকে আপনারাই রক্ষা করতে পারেন।

আমরা প্রতিনিয়তই পরিবেশচর্চা করছি। বন-পাহাড়-নদী রক্ষার কথা বলছি। বলে বলে দিন-মাস-বছর অতিক্রম করছি। জাতীয় বাজেটে পরিবেশ সংরক্ষণের জন্য বাজেট বরাদ্দ বাড়িয়ে দিচ্ছি। কিন’ পাহাড় কাটা কমেনি, পাহাড়ে বসতি স’াপন থামেনি, পাহাড়ে ঝুঁকি কমেনি। পাহাড় কাটা ও গাছ কাটার ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে সামাজিক ও রাষ্ট্রীয়ভাবে অধিক সচেতনতা দরকার। জানমালের ক্ষতি রোধে জরুরি ভিত্তিতে কাটা পাহাড়ের ঢালে নির্মিত বসি-গুলো অন্য কোনো নিরাপদ স’ানে সরিয়ে নেয়া প্রয়োজন। পাশাপাশি পাহাড় কাটা রোধে দ্রুত উপযোগী আইন প্রণয়ন ও বাস-বায়ন দরকার। এ-যাবত্‌ যত পাহাড় কেটে বিভিন্ন স’াপনা তৈরি হয়েছে, সেগুলোর উপযুক্ত নিরাপত্তামূলক কাঠামো নির্মাণ করা প্রয়োজন। সুবিধাভোগী ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে এজন্য প্রয়োজনীয় অথের্র সংস’ান করা যেতে পারে। বন বিভাগের মাধ্যমে পাহাড়ি এলাকায় ব্যাপক বনায়ন ও নজরদারি চালু ও বৃক্ষ নিধন বন্ধে পদক্ষেপ নিতে হবে। এদিকে সংশ্লিষ্ট বিভাগ ও মন্ত্রণালয়গুলোর আন-রিক মনোযোগ প্রয়োজন। সরকার ও সংশ্লিষ্টরা এ বিষয়ে মনোযোগী হবেন এটাই প্রত্যাশা আমাদের।

লেখক- মীর আব্দুল আলীম, সাংবাদিক, গবেষক ও কলামিস্ট।