সকল শিরোনাম

সীতাকুণ্ডে অজ্ঞাত রোগে ৯ জনের মৃত্যু সরকার দেশের পরিবেশ ও মানুষকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিচ্ছে: রিজভী সরকার অবাধ তথ্য প্রবাহে বিশ্বাস করে : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ উন্নয়নের মহাসড়কে এগিয়ে চলেছ ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রনে বাংলাদেশের বিজ্ঞানীর বিশ্ব অবাক করা আবিষ্কার ‌‘দেশকে অস্থিতিশীল করার চক্রান্ত চলছে’ দেশে আল্লাহর গজব পড়েছে: এরশাদ দুই নগরে নৌকা চাই… বাহ! ভালইতো… ঢাকায় প্রতি ১১ জনের একজন চিকুনগুনিয়ায় আক্রান্ত ‘গাড়ির চাপ দেখলেই মন্ত্রী-এমপিদের ধৈর্য মানে না’ বাংলাদেশকে সমর্থন দেবে থাইল্যান্ড ‘মুসলিমরা ডোনাট খায় না’ গুজবের নেপথ্যে পশ্চিমকে বাঁচান, আহ্বান ট্রাম্পের যানজট : গতি নেই; আছে দুর্গতি! ‘ঈদ চাঁদাবাজি’ বন্ধ হউক চালের দাম নিয়ন্ত্রণে আসছে না কেন? ক্ষমতাওয়ালাদের পাহাড় : আর লাশগুলো আমাদের! প্রিয়াঙ্কার প্রেমে পড়েছেন ‘দ্য রক’ সবুজ খেলে শরীরে যা বদলে যাবে! ব্যাংকিং খাতে অর্থমন্ত্রীর ‘পাপ কর’! ভোটের দিতে গিয়ে অর্থমন্ত্রী ভ্যাটের বাজেট দিয়ে ফেলেছেন : ইশতিয়াক রেজা হেফাজত এখন ‘গলার কাটা’ আ.লীগের, ভেতরে-বাইরে সমালোচনা বাড়ছে! শূকরের মাংসে ভ্যাট তুলে দিলেন অর্থমন্ত্রী: মানুষকে বোকা বানালেন বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে বরাদ্ধ বৃদ্ধি ভোক্তাদের সঙ্গে প্রহসন : ড. শামসুল


বিএনপি-জামায়াত, আওয়ামী-হেফাজত?

ঊপ-সম্পাদকীয়, ছবি স্লাইড, জাতীয় সংবাদ, সকল শিরোনাম, সর্বশেষ সংবাদ | ১৪ বৈশাখ ১৪২৪ | Thursday, April 27, 2017

---সাহেদ আলম : ক্ষমতায় অনেক দিন থাকলে নীতির বদল হয়, অবস্থানের বদল হয়, কৌশলের পরিবর্তন হয়, যখন যেই বাটিকা প্রয়োজন সেই বাটিকায় ফিরে যাওয়া যায়, অনেক ভাবে টিকে থাকার পন্থা জানা যায়। ২০০৮ সাল থেকে সাড়ে ৮ বছর ক্ষমতায় থেকে প্রধানমন্ত্রীর ভাবনায় বেশ খানিকটা পরিবর্তন সাধিত হয়েছে বলে আপাতত আমি নিশ্চিত।

তবে সেটি মানসিক পরিবর্তন নাকি ঝড়ের পূর্বাভাসে এ কৌশল আর পরিবর্তন সেটা নিয়ে এখনো অনেক মানুষ সন্দিহান। অবশ্য সর্বশেষ প্রধানমন্ত্রীর কথায় তিনি বিষয়টিকে অন্তর দিয়েই ভাবছেন বলে মনে হয়েছে। এই সুবাদে এতদিন যারা ইসলাম বিরোধী, নাস্তিকের দল বলে গালি দিয়েছেন আওয়ামী লীগকে তারা এখন বিপাকে পড়েছেন।

ফরহাদ মজহার কিংবা মাহমুদুর রহমান গং, যারা এতদিন বলে আসছেন, হুজুরদেরকে মূলধারায় নিতে হবে, তাদেরকে এখন যদি প্রধানমন্ত্রী উপদেষ্টা বানিয়ে ফেলেন, তাতে অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না। তবে সলিমুল্লাহ খানরা কষ্ট পাবেন এবং পাচ্ছেন নিশ্চয়। কেননা, তারা এখন গাইছেন, ‘চেয়ে চেয়ে দেখলাম তুমি চলে গেলে’।

সোমবার আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী কমিটির বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী কওমী মাদ্রসার স্বীকৃতি প্রদানে তার সরকারের উদার অবস্থানের প্রেক্ষিত ব্যাখ্যা করতে গিয়ে বেশকিছু কথা বলেছেন। একটি তো অবশ্যই সুপ্রিম কোর্টের সামনে গ্রিকদেবীর ভাস্কর্য অপসারণ। এ ব্যাপারে তিনি আবারও কঠোর অবস্থান ঘোষণা করে বলেছেন, এটা নিয়ে প্রধান বিচারপতিকে পর্যন্ত তার অসন্তোষের কথা জানিয়েছেন।

এর কয়দিন আগে তিনি প্রধান বিচারপতির উপস্থিতিতে একটি শক্ত কথা জানিয়েছিলেন, ‘ক্ষমতা কারও কিন্ত কম নয়’। এসব কথা নিয়ে আলাদা আলাদা বিশ্লেষণ হওয়া দরকার ছিল। হয়েছে নিশ্চয়, দূরে থাকার কারণে হয়তো খেয়াল করতে পারিনি। তবে আওয়ামী শীর্ষ নেতাদের সামনে বেশ শক্ত করে প্রধানমন্ত্রী একটি কথা বলেছেন যে হেফাজতের সাথে তার দলের কোন চুক্তি হয়নি।
আর কওমী মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদেরকে মূলধারায় ফিরিয়ে নেয়ার উদ্যোগের কথা বলতে গিয়ে তিনি বলেছেন, ‘এই বিশাল জনগোষ্ঠি কি দেশের নাগরিক নয়, তারা কি রাষ্ট্রের স্বীকৃতির বাইরে থাকবে, তাদেরকে মূলধারায় ফিরিয়ে না নিলে কি এগিয়ে যাওয়া যাবে?’ ইত্যাদি ইত্যাদি।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।এই ভাবনা আমার মাথায় যারা ঢুকিয়েছে তাদেরকে ধন্যবাদ। অনেক জল ঘোলা করে, শেষ পর্যন্ত একটি সুদূর প্রসারী অর্ন্তভূক্তিকরণের চিন্তা করছেন আপনি। যেটার প্রয়োজনীয়তা বোঝাতে ব্যর্থ হয়েই ফরহাদ মজহারের মত বুদ্ধিজীবী আপনার চক্ষুশুলে পরিণত হয়েছে। জেল জরিমানা হয়েছে মাহমুদুর রহমানের।

এখন নিশ্চয় আপনি স্বীকার করবেন যে, ফরহাদ মজহাররা এতদিন একটা কথাই বলেছে যে, শাহবাগের তারুণ্যের বাইরে যে তারুণ্য আছে তাদেরকেও আপনার গণনায় নিতে হবে। ৯০ ভাগ মুসলিমের দেশে আপনি গুটিকয়েক অথবা দেশের অর্ধেক তারুণ্যের দাবীকেই দেশ পরিচালনার নীতি হিসেবে নিলে বিভাজন অনিবার্য।

এই কথা আমি ফরহাদ মজহারের পক্ষ নিয়ে আপনাকে বলছি না, এটাই আপনার সরকার পরিচালনার সাথে ফরহাদ মজহারের চিন্তার ফারাক তৈরী করেছিল। ২০১৩ বা ১৪ সালে কোন একসময় তার সঙ্গে আমার দীর্ঘ সাক্ষাৎকার নেয়ার সুযোগ হয়েছিল, যেটি তখন রাষ্ট্রীয় আর সামাজিক মাধ্যমের চাপে প্রকাশ করতে পারিনি।

সাক্ষাৎকার নেয়ার সময়ই তিনি বলেছিলেন, এটা তুমি চালাতে পারবে না, খামোখা নিচ্ছ। সেটাই হয়েছিল। তিনি আমাকে স্পষ্ট বলেছিলেন, মনে আছে যে, এই মাওলানা বা জামায়াতে ইসলামের রাজনীতির সমর্থক তরুণ শিবির কর্মীদের আপনি দেশের তারুণ্য থেকে বাদ দিলে সেটা হবে বড় ধরনের রাষ্ট্রীয় ভুল। তারা যতই সংখ্যায় নগণ্য হোক না কেন।

২০১৩ সালের ২৮ মার্চ ইত্তেফাকে ফরহাদ মজহারের কলামের কিছু অংশ এখানে তুলে দিচ্ছি।

‘ইসলাম ও বাঙালি জাতীয়তাবাদের এই রাজনৈতিক বিভাজন কাটিয়ে উঠে সমাজের ক্ষত যদি নিরাময় করতে চাই তার জন্য দূরদৃষ্টি এবং রাজনৈতিক প্রজ্ঞার দরকার। আমাদের সমাজে তার অভাব আছে। ইসলামের বিরুদ্ধে ঘৃণার যে সংস্কৃতি গত ৪০ বছর চর্চা করা হয়েছে তার মূল্য দিতে হবে অনেক। আমরা এখনও কী ঘটেছে সে সম্পর্কে বেহুঁশ হয়ে আছি। দরকার সততার সঙ্গে এই ভয়ংকর সত্যের মুখোমুখি হওয়া এবং রাজনৈতিক সংকটের উৎপত্তির কারণ উপলব্ধি করা। সমাধানের সম্ভাব্য পথগুলো তখনই শনাক্ত করা সম্ভব হতে পারে। বাংলাদেশের ভবিষ্যতের কথা ভেবে সেই কাজগুলো করতে হবে। তবে সে কাজে আমাদের অযোগ্যতাই প্রমাণিত হয়েছে বারবার।’

পরে হেফাজতের সঙ্গে সরকারের বৈঠক আর কওমীর স্বীকৃতির পর ফরহাদ মজহার সাহেবের আরেকটি কলাম খুঁজে পেলাম ‘দৈনিক যুগান্তরে’। ২১ এপ্রিল সেটি প্রকাশিত হয়েছে যেখানে তিনি লিখেছেন :
‘এটা পরিষ্কার যে, ঢাকা শহরকেন্দ্রিক চরম সুবিধাবাদী ও এলিট শ্রেণীর উৎকট ইসলাম বিদ্বেষের গালে হেফাজত দূর্দান্ত চপেটাঘাত করতে সক্ষম হয়েছে। ৃযাদের মাত্র ২০১৩ সালে গুলি করে মেরে এই শহর থেকে তাড়িয়ে দেয়া হয়েছিল, যাদের লাশের হিসাব পর্যন্ত করা যায়নি, আজ সেই তাড়া খাওয়া এবং হত্যা, গুম ও নির্যাতনের শিকার কওমি মাদ্রাসার আলেম-ওলেমাদের স্থান হয়েছে সরকারের উচ্চ দরবারে। খোদ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে। রাষ্ট্রের ক্ষমতা ও শক্তির সর্বোচ্চ দরবারে তারা উচ্চ মর্যাদার মেহমান হয়ে হাজির হয়েছেন। আল্লাহর কুদরত দারুণ!!’

তিনি নিজে ব্যাক্তিগত ভাবে ¯্রষ্টায় বিশ্বাসী মানুষ নন, ধর্ম বিশ্বাস তো প্রশ্নই ওঠে না। তার সত্য কথনগুলো সে সময় খুব তীরের মত ব্যথা দিয়েছিল আমাদের সেকুলার গোষ্ঠিকে। লুঙ্গি মজহার, লুঙ্গি মজহার বলে তাকে গালি দিতে কম করিনি আমরা। আমরা মানে বলতে চাইছি যারা সরকারের সমর্থক তারা। যারা নীপিড়নের সমর্থক তারা। যারা মনে করেন গুলি মেরেই স্তব্ধ করা যায় সবকিছু তারা।
যারা মনে করেন, জামায়াত শিবির, হেফাজত, কওমী মাদ্রাসার হুজুররা দেশের শত্রু তারা। আমরা মানে যারা সেক্যুলার ভাব ধরে আসলে চরম স্বৈরতন্ত্রকে দমনের হাতিয়ার মনে করি তারা। এই আমরা এখন কি আঙ্গুল চুষছি? আর ভাবছি কোথাকার জল কোথায় গেল, কোন দিক দিয়ে গড়ালো? কেন আমাদের গাইতে হচ্ছে, ‘চেয়ে চেয়ে দেখলাম তুমি চলে গেলেৃ?

তুমি চলে গেলে মানে হলো, আওয়ামী লীগ চলে যাচ্ছে। বিএনপি এর সঙ্গে যদি আন্দোলন আর সরকার পরিচালনায় জোট বাঁধার কারণে একটা জোটবদ্ধ নাম হয় ‘বিএনপি-জামায়াত’ তাহলে এখন নতুন নামে আওয়ামী লীগকেও ডাকার প্রস্তুতি নেন সবাই। কি সেই নাম ‘আওয়ামী-হেফাজত’।

আগামি দিনে আসলে এই দুই জোটের মধ্যেই আপনাকে বেছে নিতে হবে কে আসলে মন্দের ভালো? মধ্যপন্থী বিএনপি আর মধ্য ডানপন্থী (বলছি একারণে যে জামায়াত এখনো গণতান্ত্রিক ভোটের রাজনীতিতে বিশ্বাসী) জামায়াত জোট ভালো নাকি মধ্য বামপন্থী আওয়ামী লীগ আর চরম ডানপন্থী, ফতোয়া আইনের পৃষ্ঠপোষক হেফাজত মিলে আওয়ামী-হেফাজত জোট ভালো!

মঈন উদ্দীন খান বাদল আর ইনু-মেননদের দিন শেষ। ক্ষমতার বার্গার খেতে খেতে এরা এখন মুটিয়ে গেছে। এখন তো মিউ মিউ করছে ইনু-মেনন, দুদিন পর পালাতে হবে। পালাতে যে হবে সেটা নিশ্চিত। কেননা, এখন হেফাজত ভক্ত হিসেবে শামীম ওসামানরা তাদের ভক্তি শ্রদ্ধা প্রকাশ করতে শুরু করেছেন। বলছেন, নাস্তিক নিধনে তিনিই এখন নেতৃত্ব দেবেন। যাকগে, সে বিষয়ে বিস্তারিত আলাপ না করে আরেকটি ভাবনায় যাই। সেটা হলো, কেন এই আওয়ামী-হেফাজত জোটের রূপান্তর?

একটা বিষয় হতে পারে আগামিতে খেলার জন্য যুৎসই কোন কার্ড নেই শেখ হাসিনার সামনে। যুদ্ধপরাধের দায়ে শীর্ষ জামায়াত নেতাদের ফাঁসি হয়েছে, বলার মত আর কেউ নেই দেলোয়ার হোসেন সাঈদী ছাড়া। উনাকে কুমিরের শেষ বাচ্চা হিসেবে রেখে দেয়া হয়েছে। যখন আর কোন ভাবেই কোন কিছুর মোড় ঘোরানো যাবে না তখনই হয়তো সামনে আসবে সেই ইস্যু। কিন্তু এই একটা ইস্যু দিয়ে তো আর ২০১৯ সালের পুল সিরাত পার হওয়া যাবে না।

এমনিতেই হেফাজতের রক্তের দাগ এখনো শুকায়নি বলেই বিশ্বাস করেন মাদ্রাসার শিক্ষার্থারী। তারা সংখ্যায় যদি ৩০ লাখ হন, তবে বাংলাদেশের আরও ৩ কোটি মানুষ মনে মনে তাদের প্রতি দূর্বল। এমনকি চরম আওয়ামী লীগ পন্থী মানুষটাও মনে করেন যে, তারা তো দোষ করেনি।
আর বিএনপির ৯০ জনই বিশ্বাস করেন, হেফাজত গণহত্যার শিকার হয়েছিল শাপলা চত্বরে। এই হেফাজত যদি আবার মাঠে নামে তবে প্রতি ৩ জন হেফাজত কর্মির সঙ্গে সহমর্মীতা প্রকাশে আরো ৩০ জন মানুষ রাস্তায় নামবে শুধু ইসলাম রক্ষার কথা বলে। এই ৩০ জনের মধ্যে হয়তো ৫ জন শিবির, বাকী ২০ জন বিএনপি, আর ৫ জন ইসলাম প্রিয় আওয়ামী লীগ কর্মি বা ক্ষমতা বঞ্চিত কর্মি। সেই ভবিষ্যতকে দেখতে পেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আর সেই জঙ্গী আন্দোলন দমনে আবার নির্বিচারে হত্যাকে তিনি সমাধান মনে করতে পারছেন না।

কেননা, তার ক্ষমতায় থাকার কোন নৈতিক ভিত্তি নেই। যুদ্ধাপরাধের বিচার হয়ে গেছে, এখন আর দ্বিত্বীয় মেয়াদে তার চেয়ার দখলে রাখার পক্ষে অতটা উচ্চকন্ঠ নয় এলিট সেকুলার শ্রেণীও। এ সময় নতুন একটি পুবালী বাতাসে সব তছনছ হয়ে যাওয়ার আগে ঘর সামলে নিয়েছেন তিনি। হেফাজতের হাতে ইস্যু নেই। ইসলাম রক্ষার হাড্ডিটুকুতে একটু কওমী স্বীকৃতির গোশত লাগিয়ে ছেড়ে দেয়া হয়েছে। সেটাই চেটেপুটে খাবে এখন তারা। এই সময়ে আরো একটু শান্তিতে থাকার চেষ্টা আরকি।

সরকারের বিশেষ দূত এরশাদের ফর্মুলা এটি। সরকার পরিচালনার ভিত্তি যতই দুর্বল হয় ততই ইসলাম রক্ষার বাটিকা সামনে আসে। সম্ভবত তার আমলেই সুপ্রিম কোর্টের চত্বরে প্রতিষ্ঠিত জাতীয় ঈদগাহের রক্ষায় এখন লেডি জাস্টিসের ভাস্কর্য অপসারণ সময়ের ব্যাপার মাত্র। আমি শুধু চেয়ে চেয়ে দেখছি, কিছু মুখের সমালোচনা এখন একেবারেই বন্ধ।

তুহিন মালিক থেকে শুরু করে ইসলামপ্রেমী গোলাম মাওলা রনী। আর আশেপাশের সকল জামায়াত-শিবির সমর্থক। তারাও দ্বিধায় পড়েছেন এখন। বেনামাজি খালেদা জিয়া ভালো নাকি, এই যে মাঝে মাঝে হিজাব পরিহিত, কওমীর স্বীকৃতিদানকারী, মূর্তিপূজার বিরোধী বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভালো! আর কিছু মানুষ আবার নতুন করে যুদ্ধে নামার প্রস্তুতি নিচ্ছে। কার বিরুদ্ধে কার যুদ্ধ হবে সেটা নির্ধারণ করা গেলেই কেবল ভিন্ন সমীকরণটি সামনে আসবে।

আপাতত আওয়ামী-হেফাজতের দিন মেনে নেই। পরিবর্তন

সাহেদ আলম : সাংবাদিক, কলাম লেখক।