সকল শিরোনাম

সীতাকুণ্ডে অজ্ঞাত রোগে ৯ জনের মৃত্যু সরকার দেশের পরিবেশ ও মানুষকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিচ্ছে: রিজভী সরকার অবাধ তথ্য প্রবাহে বিশ্বাস করে : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ উন্নয়নের মহাসড়কে এগিয়ে চলেছ ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রনে বাংলাদেশের বিজ্ঞানীর বিশ্ব অবাক করা আবিষ্কার ‌‘দেশকে অস্থিতিশীল করার চক্রান্ত চলছে’ দেশে আল্লাহর গজব পড়েছে: এরশাদ দুই নগরে নৌকা চাই… বাহ! ভালইতো… ঢাকায় প্রতি ১১ জনের একজন চিকুনগুনিয়ায় আক্রান্ত ‘গাড়ির চাপ দেখলেই মন্ত্রী-এমপিদের ধৈর্য মানে না’ বাংলাদেশকে সমর্থন দেবে থাইল্যান্ড ‘মুসলিমরা ডোনাট খায় না’ গুজবের নেপথ্যে পশ্চিমকে বাঁচান, আহ্বান ট্রাম্পের যানজট : গতি নেই; আছে দুর্গতি! ‘ঈদ চাঁদাবাজি’ বন্ধ হউক চালের দাম নিয়ন্ত্রণে আসছে না কেন? ক্ষমতাওয়ালাদের পাহাড় : আর লাশগুলো আমাদের! প্রিয়াঙ্কার প্রেমে পড়েছেন ‘দ্য রক’ সবুজ খেলে শরীরে যা বদলে যাবে! ব্যাংকিং খাতে অর্থমন্ত্রীর ‘পাপ কর’! ভোটের দিতে গিয়ে অর্থমন্ত্রী ভ্যাটের বাজেট দিয়ে ফেলেছেন : ইশতিয়াক রেজা হেফাজত এখন ‘গলার কাটা’ আ.লীগের, ভেতরে-বাইরে সমালোচনা বাড়ছে! শূকরের মাংসে ভ্যাট তুলে দিলেন অর্থমন্ত্রী: মানুষকে বোকা বানালেন বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে বরাদ্ধ বৃদ্ধি ভোক্তাদের সঙ্গে প্রহসন : ড. শামসুল


ধর্মীয় স্বাধীনতার স্বরূপ

ইসলাম ও জীবন, ছবি স্লাইড | ১২ চৈত্র ১৪২৩ | Sunday, March 26, 2017

মাসউদুল কাদির :: ইসলামে কোনো বাড়াবাড়ি নেই। ধর্ম নিয়ে কোনো রেষারেষি নেই। ইসলাম সমতা ও সাম্যের জীবনব্যবস্থার নাম। ইসলামের শেষ নবী হযরত মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম শান্তি, সম্প্রীতি ও বন্ধুত্বপরায়ণ এক রাষ্ট্র গঠন করেছিলেন মদীনায়। মদীনার অন্যান্য ধমীয় বেত্তাদের সঙ্গে যে শান্তিচুক্তি করেছিলেন তা এখনো মদীনাসনদ নামে পৃথিবীবিখ্যাত হয়ে আছে। মদীনার সংবিধানের কোনো না কোনো পয়েন্ট পৃথিবীর তাবৎ সংবিধান রচনায় কাজে লেগেছে। 




ইসলাম মানতে কাউকে বাধ্য করা যাবে না। কোনো কিছুর প্রলোভন দেখিয়েও কাউকে ইসলামে টানা যাবে না। কেবল স্বেচ্ছায়, বুঝে-শোনে, সুস্থ মস্তিষ্কে ভেবে-চিন্তে ইসলামে আত্মসমর্পণ করলেই মুসলমান হবে। মানুষের বিশ্বাসকে ইসলামে অবমূল্যায়ন করা হয়নি। ইসলাম কোনো চাপাচাপির জায়গা নয়।



‘(হে নবী,) আপনার মালিক চাইলে এ জমিনে যত মানুষ আছে তারা সবাই ঈমান আনতো; (কিন্তু তিনি তা চাননি, তাছাড়া) আপনি কি মানুষদের জোরজবরদস্তি করবেন যেন তারা সবাই মুমিন হয়ে যায়!’ [সূরা ইউনুস : আয়াত ৯৯]



মক্কায় নবীজীর উপর এরকম আয়াত হয়েছে। নবীজী চাইতেন, মক্কার আবূ জেহেল, ওমরসহ সবাই ইসলামের আলোকে আলোকিত হোক। সত্য ও সমৃদ্ধির পথে মানুষকে নিয়ে আসতে নবীজী যারপরনাই চেষ্টা করতেন। মদীনা মুনাওয়ারায় হিজরত করার পর আরো স্পষ্ট করে আল্লাহ তাআলা বললেন, ‘(আল্লাহর) দ্বীনের ব্যাপারে কোনো জোরজবরদস্তি নেই, (কারণ) সত্য (এখানে) মিথ্যা থেকে পরিষ্কার হয়ে গেছে।’ [সূরা বাকারা : আয়াত ২৫৬]



কুরআনের চমকিত এই ঘোষণায় মুসলমানগণ যেন থমকে দাঁড়িয়েছিলেন। মানবতার নবী রাসূলুল্লাহ সা. জোরজবরদস্তি করা যাবে না দিয়ে যার যার ধর্ম পরিপালনে অসাম্প্রদায়িক এক মনোভাবের প্রকাশ ঘটিয়েছেন। এই মতপ্রকাশে বিশ্ববাসীও নড়েচড়ে বসে। কারণ, যখন বাইজেন্টাইন সাম্রাজ্য বলত, ‘হয় খিষ্টান হও, নয়তো খুন হও’। মুসলমানরা যখন ইহুদীমতবাদ থেকে নিজেদের সন্তানদের জোর করে ইসলামে নিয়ে আসতে চেয়েছিলেন তখনই আল্লাহর রাসূল সা. ধর্মীয় স্বাধীনতার এই ঘোষণা দিয়েছিলেন।



আজ ধর্ম নিয়ে তো নতুন করে বাড়াবাড়ির প্রয়োজন নেই। এটা ইসলামেরও কোনো বিধান নয়। তাই ধর্মীয় স্বাধীনতা ভোগ, পালনে কোনো বাধা না দেওয়া ইসলামেরই নির্দেশনা।



লেখক : ছড়াকার ও আলেম