সকল শিরোনাম

বইমেলায় পাঠক প্রিয়তা পেয়েছে ডা. বদরুল আলমের অদম্য রম্য রচনার বই ‘ এক্স ফাইলস’ উপ-সম্পাদকীয় ইসলামের দৃষ্টিতে ভালবাসা অর্থনীতিতে এগুচ্ছে দেশ; সভ্যতায় কেন পিছিয়ে? নাসর ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা পাকিস্তানের শিগগিরই ছাত্রদলের নতুন কমিটি শুধু জিপিও-৫ নয়, সুনাগরিক হওয়াও জরুরি : শিক্ষামন্ত্রী বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ভালো হচ্ছে এবার বাড়ল ডালের দাম ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের পাঁচ দশক ৩ জেলায় ২ কিশোরী ও ১ শিশু ধর্ষণের শিকার মিলল সেন আমলের রাজবাড়ি বিভেদ ভুলে ঐক্যবদ্ধভাবে এগিয়ে যেতে হবে : প্রধানমন্ত্রী যৌবন ধরে রাখবে যেসব খাবার কোনো নির্বাচনেই অংশ নেবে না বিএনপি: মির্জা ফখরুল ফেসবুককে বিদায়ের কারণ জানালেন ন্যান্সি বিশ্বের শীর্ষ ১০০ চিন্তাবিদদের তালিকায় শেখ হাসিনা হাঁস মুরগি মাছে বিষাক্ত পদার্থ সরকারি চাকরিতে প্রতিবন্ধী কোটা বহাল ৫ কোম্পানির পানি পানের উপযোগী নয়: বিএসটিআই বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন ছিল প্রজাতন্ত্রের দৃঢ় ভিত্তি ভয়ের সংস্কৃতিতে আড়ষ্ট সমাজ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কাছে দেশবাসীর ৩টি চাওয়া দুর্নীতির একি রীতি? নিবার্চন উপলক্ষ্যে র‌্যাবের নিরাপত্তা বলয়ে রূপগঞ্জ ঢাকা-৫ আসন : ডেমরায় আওয়ামী লীগের নির্বাচনী প্রচারণা সভা


ধর্মীয় স্বাধীনতার স্বরূপ

ইসলাম ও জীবন, ছবি স্লাইড | ১২ চৈত্র ১৪২৩ | Sunday, March 26, 2017

মাসউদুল কাদির :: ইসলামে কোনো বাড়াবাড়ি নেই। ধর্ম নিয়ে কোনো রেষারেষি নেই। ইসলাম সমতা ও সাম্যের জীবনব্যবস্থার নাম। ইসলামের শেষ নবী হযরত মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম শান্তি, সম্প্রীতি ও বন্ধুত্বপরায়ণ এক রাষ্ট্র গঠন করেছিলেন মদীনায়। মদীনার অন্যান্য ধমীয় বেত্তাদের সঙ্গে যে শান্তিচুক্তি করেছিলেন তা এখনো মদীনাসনদ নামে পৃথিবীবিখ্যাত হয়ে আছে। মদীনার সংবিধানের কোনো না কোনো পয়েন্ট পৃথিবীর তাবৎ সংবিধান রচনায় কাজে লেগেছে। 




ইসলাম মানতে কাউকে বাধ্য করা যাবে না। কোনো কিছুর প্রলোভন দেখিয়েও কাউকে ইসলামে টানা যাবে না। কেবল স্বেচ্ছায়, বুঝে-শোনে, সুস্থ মস্তিষ্কে ভেবে-চিন্তে ইসলামে আত্মসমর্পণ করলেই মুসলমান হবে। মানুষের বিশ্বাসকে ইসলামে অবমূল্যায়ন করা হয়নি। ইসলাম কোনো চাপাচাপির জায়গা নয়।



‘(হে নবী,) আপনার মালিক চাইলে এ জমিনে যত মানুষ আছে তারা সবাই ঈমান আনতো; (কিন্তু তিনি তা চাননি, তাছাড়া) আপনি কি মানুষদের জোরজবরদস্তি করবেন যেন তারা সবাই মুমিন হয়ে যায়!’ [সূরা ইউনুস : আয়াত ৯৯]



মক্কায় নবীজীর উপর এরকম আয়াত হয়েছে। নবীজী চাইতেন, মক্কার আবূ জেহেল, ওমরসহ সবাই ইসলামের আলোকে আলোকিত হোক। সত্য ও সমৃদ্ধির পথে মানুষকে নিয়ে আসতে নবীজী যারপরনাই চেষ্টা করতেন। মদীনা মুনাওয়ারায় হিজরত করার পর আরো স্পষ্ট করে আল্লাহ তাআলা বললেন, ‘(আল্লাহর) দ্বীনের ব্যাপারে কোনো জোরজবরদস্তি নেই, (কারণ) সত্য (এখানে) মিথ্যা থেকে পরিষ্কার হয়ে গেছে।’ [সূরা বাকারা : আয়াত ২৫৬]



কুরআনের চমকিত এই ঘোষণায় মুসলমানগণ যেন থমকে দাঁড়িয়েছিলেন। মানবতার নবী রাসূলুল্লাহ সা. জোরজবরদস্তি করা যাবে না দিয়ে যার যার ধর্ম পরিপালনে অসাম্প্রদায়িক এক মনোভাবের প্রকাশ ঘটিয়েছেন। এই মতপ্রকাশে বিশ্ববাসীও নড়েচড়ে বসে। কারণ, যখন বাইজেন্টাইন সাম্রাজ্য বলত, ‘হয় খিষ্টান হও, নয়তো খুন হও’। মুসলমানরা যখন ইহুদীমতবাদ থেকে নিজেদের সন্তানদের জোর করে ইসলামে নিয়ে আসতে চেয়েছিলেন তখনই আল্লাহর রাসূল সা. ধর্মীয় স্বাধীনতার এই ঘোষণা দিয়েছিলেন।



আজ ধর্ম নিয়ে তো নতুন করে বাড়াবাড়ির প্রয়োজন নেই। এটা ইসলামেরও কোনো বিধান নয়। তাই ধর্মীয় স্বাধীনতা ভোগ, পালনে কোনো বাধা না দেওয়া ইসলামেরই নির্দেশনা।



লেখক : ছড়াকার ও আলেম